মাগুরানিউজ.কমঃ
ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধরের জেরে বুধবার বিকেলে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুজন আহত ও একটি বাড়িতে হামলা চালানো হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪টি ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা বলেন, বেলা দেড়টার দিকে উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সালেহ ইমরানের সমর্থিত ছাত্রলীগের সাত-আট কর্মী সদরের আমিনুর রহমান কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আজাদ মোল্লা মারধর করেন। এ ঘটনার জের ধরে পান্নু মোল্লার কয়েক শ সমর্থক উপজেলা পরিষদের পাশে অবস্থিত সালেহ ইমরানের বাড়িতে হামলা চালান। পরে বেলা আড়াইটার দিকে ইমরানের লোকজন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পান্নুর সমর্থক এক ব্যবসায়ীর পোলট্রি ফিডের দোকানে হামলা চালায়।
এরপর দুই পক্ষ তাঁদের সমর্থকদের জড়ো করে দেশি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এগোতে থাকলে পুলিশ কানাইনগর এলাকায় পেট্রলপাম্পের কাছে পান্নুর লোকজনকে আটকে দেয়। এ সময় তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছুড়লে তাঁরা পিছু হটেন। এ সময় তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়েন। এ সময় মাগুরা-মহম্মদপুর সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়কে চলাচলকারী লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরীকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা ১৪টি গুলি ছুড়েছি। তবে কাউকে আটক বা মামলা হয়নি।’
মাগুরা জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাগুরা পুলিশ লাইনস থেকে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


