মাগুরানিউজ.কমঃ
নতুন উদ্যমে সোমবার ভোর থেকে মাছ ধরতে মধুমতি নদীতে নেমেছেন জেলেরা। নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে নেমে জেলে পল্লিগুলোতে ফিরেছে স্বস্তি ।
সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে মা ইলিশ ডিম ছাড়তে বিভিন্ন নদীতে আসতে শুরু করে। এ সময়টায় যাতে ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারে, সে জন্য অক্টোবরের ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করে সরকার।
এদিকে ২২ দিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার কারণে সরকারের পক্ষ থেকে জেলেদের ২০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়।
তবে এ ক্ষেত্রে মাগুরার মধুমতির জেলেরা। এ নদীই তাদের সংসার চালনার একমাত্র মাধ্যম।দুইএকটা ইলিশ আর রুই, কাতলা, বোয়াল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশী মাছ ধরে দিন কাটতো তাদের। ইলিশ মাছ ধরা বন্ধের নিষেধাজ্ঞায় তাদের অন্যান্য মাছ ধরাও বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু এলাকাটিকে ইলিশ জোন হিসেবে ঘোষণা না করায় কোনপ্রকার সরকারী সহায়তাও পাননি মধুমতির মৎস্যজীবিরা। ফলে এ নদীর উপর নির্ভরশীল প্রায় ৩’শতাধিক পরিবার এ ২২দিন মানবেতর জীবনযাপন করেছে। তারা সরকারী সহযোগিতার দাবী জানিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে মহম্মদপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা লিয়াকত হোসেন গণমাধ্যমে জানান- মহম্মদপুরে মোট ১২শ ৭জন মৎস্যজীবি নিবন্ধিত হয়েছে। যার মধ্যে নদীকেন্দ্রীক মৎস্যজীবি রয়েছেন ৩ শতাধিক। তবে এ এলাকার মৎস্যজীবিরা কোন প্রনোদনা পান না। মা ইলিশ সংরক্ষণের এ সময়টিতে এ এলাকাটিকে ইলিশ জোন হিসেবে ঘোষণা করা হলে এলাকার মৎস্যজীবিরা উপকৃত হবে। আগামী বছর থেকে এ এলাকাটিকে ইলিশ জোন হিসেবে ঘোষণার জন্য আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাবো।


