আজ রবিবার, অগাস্ট ২, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে ৪ টি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
- শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
- শ্রীপুরে আলোচিত শিশু রাজিয়া ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় আসামীর মৃত্যুদণ্ড
- শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হত্যাকাণ্ডে জড়িত না এমন ব্যক্তিদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
- শ্রীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ
- শ্রীপুরে পিতা ও পুত্রকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম, দোকানঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট
- টিসিবিতে নিম্মমানের পণ্য, প্যাকেজের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় ক্রেতাদের অসন্তোষ
- শ্রীপুরে দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় ২০ টি বাড়িঘর ব্যাপক ভাঙচুর লুটপাট
- শ্রীপুরে প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংস্থা উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত
মাগুরানিউজ.কমঃ
মালিকানা নিয়ে সরকারের এই দুই দপ্তরের ঠেলাঠেলির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে মাগুরার মহম্মদপুরের মানুষেরা। সওজ এবং এলজিইডির ঠেলাঠেলির কারণে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪টি সড়কের সংস্কারকাজ এক দশকেও হয়নি। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়ক ৪টি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সওজ বলছে, সড়ক চারটি তাদের না, এলজিইডির। এলজিইডি বলছে, সড়কগুলো সওজের।
সংস্কারবিহীন পড়ে থাকা সড়ক চারটি হচ্ছে, নহাটা থেকে পলিতা (৪ কিলোমিটার দীর্ঘ), নহাটা থেকে লাহুড়িয়া (১২ কিলোমিটার দীর্ঘ), নহাটা থেকে মিঠাপুর (১০ কিলোমিটার দীর্ঘ) ও মহম্মদপুর থেকে কালীশংকরপুর (১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ) সড়ক।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামীণ এই সড়ক ৪টির বেশির ভাগই ভাঙাচোরা। যানবাহন এমনকি মানুষের হাঁটাচলারও অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের অধিকাংশ জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। উঠে গেছে পিচ ও পাথর। ভাঙাচোরা ক্ষতবিক্ষত সড়ক ৪টি পাকা না কাঁচা, তা বোঝা মুশকিল।সড়কগুলোর কোথাও কোথাও ভেঙে দুই-তিন ফুট পর্যন্ত গভীর গর্ত হয়ে গেছে। প্রায় ১০ বছর ধরে সড়কগুলোর এমন দুরবস্থা। দ্রুত রাস্তা ঠিক না করলে এ পথে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে, জানালেন স্থানীয় ব্যক্তিরা।
জানতে চাইলে মহম্মদপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, প্রায় ১০ বছর আগে এসব সড়ক এলজিইডির কাছ থেকে সওজের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এলজিইডির মালিকানাধীন থাকাকালে সড়কগুলো সুন্দর ছিল। এখন অবস্থা খুবই খারাপ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নহাটা থেকে পলিতা অংশে নবগঙ্গা নদীর ওপর ২০১৩ সালে সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ মিটার দৈর্ঘ্য সেতু নির্মাণ করে এলজিইডি। কিন্তু পাশের চার কিলোমিটার সড়কের দেখভালের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয় সওজের কাছে। সওজ এই সড়ক সংস্কার করেনি। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই সেতু পার হয়ে মাগুরা শহর ও পাশের জেলা নড়াইল হয়ে যশোর-খুলনায় যাতায়াত করে। কিন্তু সড়কের বেহালের কারণে মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হয়।
মাগুরা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুন্নবী তরফদার বলেন, সড়ক চারটি আমাদের মালিকানাধীন না, এলজিইডির। তাই সড়কের সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ আমরা করি না।
তবে মাগুরা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইফতেখার আলী বলেন, সড়ক চারটির মালিকানা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের। তাই মেরামত, সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের।


