আজ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার: স্বামী আটক, হত্যার দাবি পরিবারের
- একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু: আর ফিরবে না বান্দরবানের পাহাড়ি রাস্তায় হারিয়ে যাওয়া শ্রীপুরের তাজিম
- গড়াই নদীর তীব্র ভাঙন: ফসলি জমি বিলীন, হুমকিতে কোদলা গ্রামের ৫০০ পরিবার
- শ্রীপুরে আমলসার বাজার থেকে ১১ জুয়ারী আটক
- শ্রীপুরে তিন হাজার মিটার চায়না দোয়ারী জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস
- শ্রীপুরে গড়াই নদীর পানি বৃদ্ধি: কচুবাড়িয়ায় তলিয়ে গেছে আখের খেত
- শ্রীপুরে চায়ের দোকানের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক
- শ্রীপুরে সামাজিক আধিপত্যের জেরে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাট, আহত ৫
- শ্রীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে র্যালি
- শ্রীপুরে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ২৮৮ বস্তা সার জব্দ, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৭ দিনের কারাদণ্ড
মাগুরানিউজ.কমঃ
মালিকানা নিয়ে সরকারের এই দুই দপ্তরের ঠেলাঠেলির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে মাগুরার মহম্মদপুরের মানুষেরা। সওজ এবং এলজিইডির ঠেলাঠেলির কারণে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪টি সড়কের সংস্কারকাজ এক দশকেও হয়নি। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়ক ৪টি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সওজ বলছে, সড়ক চারটি তাদের না, এলজিইডির। এলজিইডি বলছে, সড়কগুলো সওজের।
সংস্কারবিহীন পড়ে থাকা সড়ক চারটি হচ্ছে, নহাটা থেকে পলিতা (৪ কিলোমিটার দীর্ঘ), নহাটা থেকে লাহুড়িয়া (১২ কিলোমিটার দীর্ঘ), নহাটা থেকে মিঠাপুর (১০ কিলোমিটার দীর্ঘ) ও মহম্মদপুর থেকে কালীশংকরপুর (১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ) সড়ক।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামীণ এই সড়ক ৪টির বেশির ভাগই ভাঙাচোরা। যানবাহন এমনকি মানুষের হাঁটাচলারও অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের অধিকাংশ জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। উঠে গেছে পিচ ও পাথর। ভাঙাচোরা ক্ষতবিক্ষত সড়ক ৪টি পাকা না কাঁচা, তা বোঝা মুশকিল।সড়কগুলোর কোথাও কোথাও ভেঙে দুই-তিন ফুট পর্যন্ত গভীর গর্ত হয়ে গেছে। প্রায় ১০ বছর ধরে সড়কগুলোর এমন দুরবস্থা। দ্রুত রাস্তা ঠিক না করলে এ পথে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে, জানালেন স্থানীয় ব্যক্তিরা।
জানতে চাইলে মহম্মদপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, প্রায় ১০ বছর আগে এসব সড়ক এলজিইডির কাছ থেকে সওজের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এলজিইডির মালিকানাধীন থাকাকালে সড়কগুলো সুন্দর ছিল। এখন অবস্থা খুবই খারাপ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নহাটা থেকে পলিতা অংশে নবগঙ্গা নদীর ওপর ২০১৩ সালে সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ মিটার দৈর্ঘ্য সেতু নির্মাণ করে এলজিইডি। কিন্তু পাশের চার কিলোমিটার সড়কের দেখভালের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয় সওজের কাছে। সওজ এই সড়ক সংস্কার করেনি। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই সেতু পার হয়ে মাগুরা শহর ও পাশের জেলা নড়াইল হয়ে যশোর-খুলনায় যাতায়াত করে। কিন্তু সড়কের বেহালের কারণে মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হয়।
মাগুরা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুন্নবী তরফদার বলেন, সড়ক চারটি আমাদের মালিকানাধীন না, এলজিইডির। তাই সড়কের সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ আমরা করি না।
তবে মাগুরা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইফতেখার আলী বলেন, সড়ক চারটির মালিকানা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের। তাই মেরামত, সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের।


