মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার বড়রিয়া এলাকায় সেচ খাল দখল করে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করায় অস্তিত্ব হারাচ্ছে মধুমতি নদীর সাথে সংযুক্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ শত বছরের পুরনো গুরুত্বপূর্ণ সেচ খালটি। খালটি স্থানীয়ভাবে বড়রিয়া খাল নামে পরিচিতি। উপজেলার ১০-১৫টি বিলাঞ্চলের হাজার হাজার একর কৃষি জমিতে বর্ষায় পানি নিষ্কাশন ও শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির যোগান দিতে খালটির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তা সংলগ্ন খালের পূর্ব পাড়ে আরসিসি পিলারের উপর অসংখ্য দোকান-ঘর ও অবৈধ স্থাপনা খাল দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে। এতে করে পরিধি কমে যাওয়ার পাশাপাশি সৌন্দর্য হারিয়েছে সেচ খালটি। ক্রমেই সংকুচিত হওয়ায় নাব্যতা হারিয়ে এখন অস্তিত্ব সংকটের মুখে।
সুবিধাভোগী ঐ এলাকার কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পূর্বে খালটির প্রস্থ ছিল ৯১ ফুট কিন্তু দখলদারদের কারনে বর্তমানে প্রস্থ দাড়িয়েছে অর্ধেকে। খালের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ করায় চলতি বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহের চরমভাবে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। এতে খালের সাথে সংযুক্ত বিলঝলমল, হলিয়ার বিল, ধোয়াইল বিল, বড়রিয়া বিল, নিখোড়হাটা বিল, কলমধারি বিল, হাজরাপুর বিল, গোবরনাদা বিল ও রাহাতপুর বিলের হাজার হাজার একর কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা করছেন অভিজ্ঞরা।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী রওশন ইসলাম বলেন, আমি মৌখিকভাবে অভিযোগ পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করেছি।
মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থাপনা তুলে নিতে দখলদার নির্দেশ দিয়েছি। সময়মত তারা তাদের স্থাপনা তুলে না নিলে আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে তা উচ্ছেদ করবো।


