মাগুরানিউজ.কম:
জেলার বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চলে তাবিজ-কবজ, ঝাড়-ফুঁক, সর্বরোগের সালসা দিয়ে অপচিকিৎসা চলছে হরদম। চিকিৎসক স্বল্পতা, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, অর্থের অভাব , অসচেতনতার কারণে গ্রামের সহজ-সরল মানুষ এ ধরনের অপচিকিৎসা গ্রহণ করছে। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র, হাসপাতাল বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হয়ে অনেকেই ছুটছেন স্থানীয় ওঝা-ফকিরসহ সর্বরোগের চিকিৎসকের কাছে। ফলে অপচিকিৎসার শিকার হয়ে এরা প্রতারিত হচ্ছে।
এ ধরনের চিকিৎসক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে সর্বত্র। শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, জাহাঙ্গীর নামের একজন সাপুরে সাপ দিয়ে খেলা দেখিয়ে হাটুরেদের জড়ো করে তাদের কাছে এক ধরনের তাবিজ বিক্রি করছেন। এ তাবিজ ব্যবহারে দাম্পত্য জীবনের সমাধান, শত্রু দমন, গ্যাস্ট্রিক, আলসারসহ নানা রোগ আরোগ্য হয়। রোগ ভেদে ২৫ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিটি তাবিজ বিক্রি করা হয়।
তাবিজ কিনে ফেরার পথে শাহজাহান নামে একজন জানান, গ্যাস্ট্রিকের জন্য তিনি এ তাবিজ কিনেছেন। কেন চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে এ তাবিজ কিনছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বোঝেনইতো চিকিৎসকের কাছে গেলে এই টেস্ট, সেই টেস্ট করতে দেয়। টেস্ট করানোর টাকাইতো নাই। তারপর চিকিৎসকের ভিজিট, ওষুধের দাম, যাতায়াত খরচসহ অনেক টাকা লাগে। এতো খরচ যোগাতে কষ্ট হয়।


