মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরা পৌরনির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছেন খুরশিদ হায়দার টুটুল। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে প্রার্থী করা হয়েছে ইকবাল আকতার খান কাফুরকে।
আড়াই বছর আগে অনুষ্ঠিত মাগুরা পৌর সভার মেয়র পদে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র প্রার্থী হয়ে পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিলেন এই দুই প্রার্থী। জমজমাট ওই উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন কাফুর। বিদ্রোহী প্রার্থী ও দলের এক অংশের প্রকাশ্য বিরোধিতার কারণে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে পরাজিত হন টুটুল।
জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলতাফ হোসেনের মৃত্যুর পর গত ২০১৩ সালের ৬ মে ওই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার কুন্ডু টুটুলের দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার রাতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত নৌকা প্রতীকের চিঠি খুরশিদ হায়দার টুটুলকে দেওয়া হয়েছে। এর আগে মাগুরায় স্থানীয়ভাবে একক প্রার্থী নির্ধারণে সমঝোতা বৈঠক ব্যর্থ হলে টুটুলসহ মনোনয়ন প্রত্যাশী ৭ জনের নাম ঢাকায় পাঠানো হয় বলে জানান পঙ্কজ কুন্ডু।
জেলা বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শেলী কাফুরের দলীয় সমর্থন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শেলী জানান, জেলা বিএনপি’র কার্যনির্বাহী সদস্য ইকবাল আকতার খান কাফুরকে কেন্দ্র থেকে আসন্ন মাগুরা পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়েছে।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী খুরশিদ হায়দার টুটুল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাগুরা পৌরসভার সাবেক মেয়র প্রয়াত আলতাফ হোসেনের পুত্র। আওয়ামী লীগের রাজনীতির পাশাপাশি ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে পরিচিত টুটুল প্রায় দুই দশক ধরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অন্যদিকে, কাফুর পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের ডেপুটি স্পিকার তৎকালীন মুসলিম লীগের অন্যতম নেতা মসিউল আজমের পুত্র। তিনি জেলা বিএনপি’র সাবেক সহসভাপতি ও বর্তমান জেলা কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য।
তবে ব্যক্তিগত পরিচিত ও ইমেজের পাশাপাশি এবার দুই প্রার্থী দলীয় প্রতীক নৌক এবং ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। যে কারণে সাধারণ ভোটাররা আসন্ন মাগুরা পৌর নির্বাচনে টুটুল ও কাফুরের মধ্যে জমজমাট লড়াই হবে বলে মনে করছেন।
এক লাখ ১২ হাজার জনসংখ্যা অধ্যুষিত মাগুরা প্রথম শ্রেণির পৌরসভার সীমানা ৪৪.৩৬ বর্গ কিলোমিটার। ভোটারসংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৮৯ জন।


