মাগুরানিউজ.কম:
প্রকৃতি আগাম জানান দিচ্ছে দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা। তাই শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে এখন প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে মৃৎ শিল্পীরা।
খড় আর কাঁদামাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির প্রাথমিক কাজ শেষ। এবার চলছে রং তুলির আঁচড়। পূজার সময় ঘনিয়ে আসায় দম ফেলার সময়ও যেন নেই এসব মৃৎ শিল্পীদের। আর কাজের চাপ বেশি থাকায় বাড়ির পুরুষদের সঙ্গে সহযোগীতা করছে নারীরাও। দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজে পালদের ব্যস্ততার শেষ নেই। বিভিন্ন মন্দিরেও তৈরি হচ্ছে প্রতিমা। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই তৈরি হচ্ছে প্রতিমা। এখানে ছোট, বড় মাঝারি সব ধরনের বিগ্রহ তৈরি করা হচ্ছে। এখানকার তৈরি প্রতিমার চাহিদা রয়েছে প্রচুর। প্রতিমা আশেপাশের জেলা গুলোতেও বিক্রয় করা হয়। এখানে দুর্গাদেবীসহ লক্ষী, স্বরসতী, কার্তিক ও গণেশ তৈরি করা হচ্ছে। মাটি দিয়ে শিল্পীর নিপুণ ছোঁয়ায় গড়ে উঠছে দেবী প্রতিমাগুলো।
তরুণ মৃৎশিল্পী শ্রী কান্ত বলেন, ‘এবার নতুন আঙ্গিকে ভিন্ন সাজের কিছু প্রতিমা তৈরি করেছি কিন্তু এই প্রতিমাগুলো তৈরিতে যে পরিশ্রম হয়েছে সেই অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাচ্ছি না। ৩ মাস ধরে এই প্রতিমাগুলোর তৈরি করেছি। এবার ২৭ টি প্রতিমার অর্ডার নিয়েছি এর মধ্যে ১৫/১৬ টি সম্পুর্ণ হয়েছে এর মধ্যে কিছু কিছু প্রতিমার সাদা রং দেওয়া হয়েছে। বাকীগুলো অল্পদিনের মধ্যে শেষ হবে।’
শ্রীপুরের পলান দেব বলেন, ‘প্রতিমা তৈরির উপকরণ- যেমন খড়, মাটি, রশি, বাঁশ, কাঠ, রং প্রতিটি উপকরণের দামই বেড়েছে কিন্তু সে তুলনায় প্রতিমার মূল্য বাড়েনি। ফলে পরিশ্রমের কাঙ্খিত মূল্য পাচ্ছি না। কিন্তু বংশ পরম্পরায় এ কাজ ধরে রাখতে কাজ করছি।’

