মাগুরানিউজ.কম:
গুলশানের রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থ জোগানদাতাদের বিষয়ে সরকারের কাছে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে, যা অচিরেই প্রকাশ করা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করতে একটি গোষ্ঠি ধর্মকে ব্যবহার করে দেশে জঙ্গিবাদ নামে একটি নতুন উপদ্রব সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এটি অঙ্কুরে বিনষ্ট করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সরকার।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এ্যাড. ডঃ শ্রী বীরেন শিকদার আজ শুক্রবার বিকেলে মাগুরায় জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের বিশেষ সমাবেশে এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা বারবার বলছি এবং এখনো বলছি এ দেশে কোনো আইএস নেই। শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে দেশ পরিচালিত হবেই।’ বাংলাদেশ সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এদেশের মানুষ হৃদয়বান ও সংস্কৃতি মনা। এদেশের ভৌগলিক পরিবেশ-আবহওয়া ও প্রকৃতি জঙ্গিবাদকে সমর্থন করে না। রাষ্ট্রভাষা বাংলা, স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সব শ্রেষ্ঠ অর্জনগুলো এনেছে যুব সমাজ। সেই যুব সমাজকে যাতে কেউ বিপথগামী করতে না পারে তার জন্য পরিবার ও সমাজের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সচেষ্ট থাকতে হবে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
বিকেল সাড়ে ৫টায় মাগুরা জেলা পুলিশের আয়োজনে স্থানীয় আছাদুজ্জামান মিলনায়তনে ওই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসান উল্লাহ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম তারিকের পরিচালনায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খন্দকার আজিম উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাড. সৈয়দ শরীফুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু নাসির বাবলু, সহকারি পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়, জেলা পিপি এ্যাড. কামাল হোসেন, এপিপি এ্যাড. রতন কুমার মিত্র, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাসান সিরাজ সুজা, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, মাগুরা পৌরসভার প্যানেল মেয়র মকবুল হাসান মাকুল, সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ শাহাজ উদ্দিন, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা জঙ্গি প্রতিরোধে প্রতিটি পরিবার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভিভাবক ও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের পাশাপাশি পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সমাবেশে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষক, ইমাম, পুরোহিত, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পাঁচ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন।


