মাগুরানিউজ.কমঃ
পারিবারিক কলহের জের ধরে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন কোয়াটারে ৭ মাসের একটি কন্যা সন্তান রেখে পুলিশ কনেষ্টেবল হেলাল পারভেজের স্ত্রী শান্তা বেগম (২৪) নিজ বেডরুমের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
মৃত শান্তা বেগম মাগুরা জেলা শহরের ভাইনার মোড়ের বাসিন্দা জিবলী গাজীর মেয়ে। শনিবার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে গেছে।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনের আর আর আই আমিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দিনগত রাত চারটার দিকে কোয়াটারে হৈচৈ শুনে হেলাল পারভেজের কোয়ার্টারে গিয়ে দেখা যায়, তার স্ত্রী শান্তা বেগম নিজ রুমের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে । কোয়ার্টারের সদস্যরা তাকে সিলিং ফ্যান থেকে নামিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আমিরুল ইসলাম আরো জানান, কয়েক মাস হলো এস এ এফ কনেস্টেবল-৬২২ হেলাল পারভেজ পুলিশ লাইনের কোয়ার্টারে এসে বসবাস শুরু করেন। স্বামীর সাথে মনোমালিন্যের কারণে স্ত্রী শান্তা বেগম আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শান্তার বাবা জানান, চার বছর আগে পারিবারিকভাবে মাগুরা জেলার শ্রীপুর গ্রামের নবাবুল মাষ্টারের ছেলে হেলাল পারভেজের সাথে শান্তার বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই তাদের মধ্যে খুব একটা বড় ধরনের কলহ না থাকলেও মাঝে মধ্যে তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত হোসেন জানান, এ ব্যাপারে সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। লাশের ময়না তদন্ত করার জন্য লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


