মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক-
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী আলী মিয়া ও আ.লীগ নেতা বর্তমান চেয়াম্যান মোস্তফা সিদ্দিকী লিটনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়েছে।
আজ সকাল থেকে নহাটা ইউনিয়নের অন্তত ৫টি স্থানে প্রায় ২০ গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। শতাধিক বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালায় দুই পক্ষ। সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মাগুরা সদর হাসপাতাল, মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাশ্ববর্তী নড়াইলের লোহাগড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- গতকাল বিকালে জেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ আলী মিয়ার সমাবেশ করে। ওই সমাবেশের পর নহাটা বাজারে নৌকা মার্কার সমর্থকেরা ঘোড়া মার্কার ৩ সমর্থককে মারপিট করে। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। আজ সকাল থেকেই উভয় পক্ষে প্রায় ২০গ্রামের মানুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নহাটা বাজারের চারপাশে অবস্থান নেয়।
সকাল থেকেই নহাটা সদর, নারানদিয়া, পানিঘাটা, চাকুলিয়া ও দরিমালধা গ্রামে আলী মিয়া ও লিটনের সমর্থকেরা দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের লোকজন বিল্বপাড়া, দরিশালধা, নহাটা ও পানিঘাটা প্রামে শতাধিক বাড়িঘরে লুটপাট ও হামলা ও ভাংচুর চালায়।
এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনেকেই ভয়ে গ্রাম ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ভোটের আগে ও পরে এখানে সংঘর্ষ ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়বে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
মাগুরার পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ মাগুরানিউজকে জানান, উত্তেজনা প্রশমনে পুলিশ সেখানে কাজ করছে। তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।
তিনি সকলকে উত্তেজনা প্রশমন করে শান্ত থাকার ও শান্তি বজায় রাখার আহবান জানিয়েছেন।

