মাগুরানিউজ.কমঃ
উপকূলে আজ শনিবার দুপুরে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’। ঘূর্ণিঝড়টি মেঘনা মোহনা, নোয়াখালীর দক্ষিনাঞ্চল, কুতুবদিয়া, সন্দ্বীপ, হাতিয়া ও সীতাকুণ্ড উপকূল হয়ে উত্তর দিকে চলে যাবে। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, “ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম শুরু করছে। রোয়ানু চট্টগ্রাম উপকূলের সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, সীতাকুণ্ডু ও ফেনী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে উঠে আসছে। উপকূলের কাছাকাছি আসার পর এ ঘূর্ণিঝড় দ্রুত স্থলভাগের দিকে এগোতে শুরু করে। ঝড়ের পুরো পরিধি স্থলভাগে উঠে আসতে বিকেল পেরিয়ে যেতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রামসহ উপকূলীয় জেলাগুলোতে বইছে ঝড়ো বাতাস, সেই সঙ্গে চলছে বৃষ্টি। উপকূলীয় এলাকার নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ইতোমধ্যে রোয়ানুর প্রভাবে ঝড়ো বাতাসে গাছ ভেঙে ও ঘর বিধ্বস্ত হয়ে ভোলা, পটুয়াখালী ও চট্টগ্রামে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বলছে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে উপকূলীয় এলাকার ৫ লাখ বাসিন্দাকে।
রোয়ানু’র প্রভাবে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।


