আজ রবিবার, মে ৩, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে চুরি-ছিনতাই, বিপাকে রোগী ও স্বজনেরা
- শ্রীপুরে কৃষকদের পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের খেলোয়ার বাছাই প্রক্রিয়া শুরু
- শ্রীপুরে সম্পত্তি বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যা, দুই আসামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে মাইক্রো-ভ্যানের সংঘর্ষে স্কুল শিক্ষক নিহত, ভ্যান চালক আহত
- শ্রীপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে ১৯৫২ জন শিক্ষার্থী
- শ্রীপুরে তিন হাজার মিটার অবৈধ চায়না জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস
- শ্রীপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে ১৯৫২ জন শিক্ষার্থী
- শ্রীপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
মাগুরানিউজ.কম:
‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে, আমি বাইবো না মোর খেয়া তরী এই ঘাটে-গো’— কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পায়ের চিহ্ন না রইলেও তার রচনায় ভর করে খেয়াতরী বাওয়া ছাড়েননি কবি। আজ বাইশে শ্রাবণ। কবিগুরুর ৭৪তম মহাপ্রয়াণ দিবস। বাঙালির প্রাণের এ কবি নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও অসামান্য রচনা ও কাজের মধ্যে আজো বেঁচে আছেন তিনি প্রেরণাদাতা হয়ে।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতে রবীন্দ্রনাথ এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। রবীন্দ্রনাথের লেখা বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসনে পৌঁছে দিয়েছে।
শুধু বাঙালির নয় বাংলাদেশ ও ভারত দুদেশের মানুষের কাছেই তিনি মানবমুক্তির বারতা নিয়ে উদ্ভাসিত। মানবতাবাদী এই কবি বিশ্বাস করতেন বিশ্বমানবতায়। জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সেই দর্শনের অন্বেষণ করেছেন। তার কবিতা, গান, সাহিত্যের অন্যান্য শাখার লেখনী মানুষকে আজো সেই অন্বেষণের পথে, তার অন্বিষ্ট উপলব্ধির পথে আকর্ষণ করে।
গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে প্রথম বাঙালি এবং এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। নোবেল ফাউন্ডেশন তার এই কাব্যগ্রন্থটিকে বর্ণনা করেছিল একটি ‘গভীরভাবে সংবেদনশীল, উজ্জ্বল ও সুন্দর কাব্যগ্রন্থ’ রূপে। তার লেখা ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি…’ গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।


