আজ মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
- শ্রীপুরে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে ১ জনের মৃত্যু! আহত-৬
- শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও'র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময়
- শ্রীপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- নদীর বুকেই কেটেছে জীবনের ছয়টি দশক, বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও থামেনি রনজিতের বৈঠা
- শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা ক্যান্সার আক্রান্ত সাহিদা বেগমের ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিন পার
- শ্রীপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তাদের আকষ্মিক পরিদর্শন
- শ্রীপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু
- শ্রীপুরে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন: পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী, এলাকায় চাঞ্চল্য
মাগুরানিউজ.কম:
‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে, আমি বাইবো না মোর খেয়া তরী এই ঘাটে-গো’— কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পায়ের চিহ্ন না রইলেও তার রচনায় ভর করে খেয়াতরী বাওয়া ছাড়েননি কবি। আজ বাইশে শ্রাবণ। কবিগুরুর ৭৪তম মহাপ্রয়াণ দিবস। বাঙালির প্রাণের এ কবি নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও অসামান্য রচনা ও কাজের মধ্যে আজো বেঁচে আছেন তিনি প্রেরণাদাতা হয়ে।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতে রবীন্দ্রনাথ এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। রবীন্দ্রনাথের লেখা বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসনে পৌঁছে দিয়েছে।
শুধু বাঙালির নয় বাংলাদেশ ও ভারত দুদেশের মানুষের কাছেই তিনি মানবমুক্তির বারতা নিয়ে উদ্ভাসিত। মানবতাবাদী এই কবি বিশ্বাস করতেন বিশ্বমানবতায়। জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সেই দর্শনের অন্বেষণ করেছেন। তার কবিতা, গান, সাহিত্যের অন্যান্য শাখার লেখনী মানুষকে আজো সেই অন্বেষণের পথে, তার অন্বিষ্ট উপলব্ধির পথে আকর্ষণ করে।
গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে প্রথম বাঙালি এবং এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। নোবেল ফাউন্ডেশন তার এই কাব্যগ্রন্থটিকে বর্ণনা করেছিল একটি ‘গভীরভাবে সংবেদনশীল, উজ্জ্বল ও সুন্দর কাব্যগ্রন্থ’ রূপে। তার লেখা ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি…’ গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।


