আজ বুধবার, অগাস্ট ২৬, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ।
- শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন
- শ্রীপুরে প্রতিবন্ধী শিশুকে মারধরের ঘটনায় সংঘর্ষ, আহত ৫, ভাঙচুর-লুটপাট, আটক ৪
- মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটর সাইকেল আরোহী নিহত
- শ্রীপুরে সামাজিক আধিপত্যের জেরে বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর, আহত ৫
- শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান
- কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি প্রাঙ্গণে সবুজ আন্দোলনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
- শ্রীপুরে স্কুল ফিডিংয়ের বনরুটিতে ব্লেড, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা
- শ্রীপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে ২ টি সার ও কীটনাশকের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি
মাগুরানিউজ.কম:
‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে, আমি বাইবো না মোর খেয়া তরী এই ঘাটে-গো’— কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পায়ের চিহ্ন না রইলেও তার রচনায় ভর করে খেয়াতরী বাওয়া ছাড়েননি কবি। আজ বাইশে শ্রাবণ। কবিগুরুর ৭৪তম মহাপ্রয়াণ দিবস। বাঙালির প্রাণের এ কবি নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও অসামান্য রচনা ও কাজের মধ্যে আজো বেঁচে আছেন তিনি প্রেরণাদাতা হয়ে।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতে রবীন্দ্রনাথ এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। রবীন্দ্রনাথের লেখা বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসনে পৌঁছে দিয়েছে।
শুধু বাঙালির নয় বাংলাদেশ ও ভারত দুদেশের মানুষের কাছেই তিনি মানবমুক্তির বারতা নিয়ে উদ্ভাসিত। মানবতাবাদী এই কবি বিশ্বাস করতেন বিশ্বমানবতায়। জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সেই দর্শনের অন্বেষণ করেছেন। তার কবিতা, গান, সাহিত্যের অন্যান্য শাখার লেখনী মানুষকে আজো সেই অন্বেষণের পথে, তার অন্বিষ্ট উপলব্ধির পথে আকর্ষণ করে।
গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে প্রথম বাঙালি এবং এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। নোবেল ফাউন্ডেশন তার এই কাব্যগ্রন্থটিকে বর্ণনা করেছিল একটি ‘গভীরভাবে সংবেদনশীল, উজ্জ্বল ও সুন্দর কাব্যগ্রন্থ’ রূপে। তার লেখা ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি…’ গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।


