গ্রীষ্মকাল আসার আগেই বেড়েছে গরমের তীব্রতা। অস্বস্তিকর গরমে অনেকটাই নাকাল মাগুরা শহরবাসী। গ্রামের দিকে গরমের তীব্রতা শহরের তুলনায় কিছুটা কম। নিরক্ষীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা বাড়ার কারণেই এমনটা ঘটছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি মাসে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। সূর্যাস্তের পরও তাপমাত্রা তেমন একটা কমছে না। গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। কমে গেছে স্কুলে শিক্ষার্থী উপস্থিতি।দেশের প্রায় সব জেলায় কয়েক দফা বৃষ্টির পরেও, কমেনি গরমের তীব্রতা, সেই সাথে যোগ হয়েছে আর্দ্রতার উচ্চমাত্রা। আর দেশের নগরগুলো যেন পুড়ছে তাপে। মরুভূমির মতোই রাজপথে দেখা মিলছে মরীচিকার। এখানে যাদের বসবাস তাদের প্রাণ যেন ওষ্ঠাগত।

আর চলতি মাসের প্রথম নয়দিনেই পারদের ঊর্ধ্বগতিই জানান দিচ্ছে গরমের তীব্রতা। পাশাপাশি অতিরিক্ত শিলা বৃষ্টি ও ঘন ঘন কালবৈশাখীর আশঙ্কা করছে আবহাওয়া বিভাগ।আবহাওয়াবিদরা বলেন, বিশ্বের উষ্ণতা দিন দিন বাড়ছে যার ফলে গরমের তীব্রতা বাড়ছে। দেশের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া বদলে এসেছে উষ্ণতা আর তাপদাহ। প্রকৃতির এই পরিবর্তন সব প্রাণেই ছড়িয়েছে অস্থিরতা আর অস্বস্তি। খোঁজ একটু শীতলতার। জীবিকার প্রয়োজনে যারা রাস্তায় তাদের একটু আশ্রয় আর আরাম খোঁজার চেষ্টা।

তীব্র দাবদাহে শহর ও গ্রামের কর্মজীবী মানুষ হাঁসফাঁস অবস্থা। গরমের প্রকোপে ডায়রিয়া, কলেরা ও টাইফয়েড রোগ বাড়ছে। যার ফলে দেশের সব হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ অঞ্চলসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু (৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।