মাগুরানিউজ.কম:
কারো কোলে শিশু, হাতে ব্যাগ। আবার কেউবা এক হাতে ধরে রেখেছেন সন্তানকে, আরেক হাতে ব্যাগ। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাচড়েপাচড়ে গাড়িতে ওঠার চেষ্টা করছেন। ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুন। তারপরও যাত্রীদের মুখে হাসি। যদিও লম্বা ছুটি নয়, তারপরও ঈদের আনন্দ স্বজনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে এই কষ্টযাত্রা।
সড়ক দুর্ঘটনার জন্য প্রধান যে কারণটি ঘুরেফিরে আসে সেটি হচ্ছে চালকদের অদক্ষতা। অথচ সরকারি হিসাবেই অন্তত ৭ লাখ চালক লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালাচ্ছেন । বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা ১৭ লাখের মতো। ঈদে অতিরিক্ত ট্রিপ দেওয়ার জন্য অনেক চালককে আবার মালিকপক্ষ একটানা গাড়ি চালাতে বাধ্য করেন। ফলাফল, যা হবার তাই হয়। চালকের চোখে ঘুমের কারণে প্রাণ হারাতে হয় নিরীহ যাত্রী আর পথচারীদের। সর্বশেষ বুধবারও (২৩ সেপ্টেম্বর) সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত হয়েছে ।
আমরা আর দুর্ঘটনায় স্বজনহারা মানুষের কান্না শুনতে চাই না। সন্তানের লাশের পাশে বসে চিৎকার করছে বাবা- এমন বেদনাদায়ক দৃশ্য আমরা আর টিভি পর্দায় কিংবা পত্রিকার পাতায় দেখতে চাই না। সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ, অন্তত হাসিমাখা মুখ নিয়ে স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে যাওয়া মানুষগুলি যেন নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছতে পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করুন।
সম্পাদক, মাগুরানিউজ।


