মাগুরানিউজ.কম:
ভ্যাপসা গরম, ঠেলা-ঠেলি, গোতাগুতিসহ নানা ভোগান্তি মাড়িয়ে টিকিটের প্রত্যাশায় আজ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন শত শত মানুষ। শুক্রবার ভোর রাত থেকেই শুরু হয় টিকিট কাটার লাইনে দাঁড়ানোর প্রতিযোগিতা। আর যেহেতু লম্বা সময় লাইনে থাকতে হয়েছে তাই সময় কাটানোর বন্দোবস্ত করে এনেছিলেন কেউ কেউ। দেখা গেল- কেউ কেউ সময় কাটিয়েছেন তাস খেলার আড্ডায়, কেউ আবার পত্রিকা পড়ে, কেউ আবার মোবাইল ফোন থেকে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে। মানুষের আঁকা-বাঁকা লাইন মূল প্লাটফর্মেরও বাইরে চলে যায়।
টিকিটযুদ্ধে এবার মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে গরম। সেইসঙ্গে কালোবাজারীরাও ছিলেন তৎপর; যদিও প্রতিদিনই ধরা পড়ছেন কালোবাজারীর সদস্য। কালোবাজারীর বিষয়ে রেল কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলছে, টিকিট কালোবাজারি শনাক্ত ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে।
মাগুরার আব্দুর মমিন সরকার জানান, তিনি ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তবে দুপুর ১২টা পর্যন্তও টিকিটের দেখা পাননি।
টিকিটপ্রত্যাশীদের উপচে পড়া ভিড়ের বিষয়ে তার মত, শুক্রবার সরকারি ছুটি এবং কাঙ্ক্ষিত ২৩ সেপ্টেম্বরের টিকিট বিক্রির দিন হওয়ায় মানুষের এত ভিড়।
অগ্রিম টিকিটের জন্য বাড্ডা থেকে এসেছিলেন এমএ বাবর। তিনি পরিবার নিয়ে জামালপুরে যাবেন ঈদ করতে। চারটা টিকিট প্রয়োজন। তাই তিনি গতকাল রাত ১২টার পর ১৬নং লাইন দিয়েছেন। সারারাত টিকিটের আশায় না ঘুমিয়ে পার করেছেন। কারণ তার টিকিট নামক সোনার হরিন চাই।


