মাগুরানিউজ.কম:
মাগুরায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে। চাষীরা ভালো দামে পাট বিক্রি করতে পারবেন বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ। বর্তমানে কৃষকরা পাট কাটা ও তার জাগ দেয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে। জেলায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাট চাষ হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ উপজেলার চাষিদের পাট জাগ দেয়ার প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করলেও তা উপেক্ষা করে সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দিচ্ছেন চাষিরা। কাঙ্খিত বৃষ্টি না হওয়ায় পাট জাগ দেয়া নিয়ে ভিশন দুশ্চিন্তায় পরেছেন সোনালী আঁশ পাটের খ্যাত মাগুরার পাট চাষীরা। বৃষ্টির পানিতে পাট জাগ দিতে না পারলে পাটের রং কালসে হয়ে যাবে। পাওয়া যাবে না সোনালী আশ। আর এতে দামও কমে যাবে পাটের। এ অবস্থায় বৃষ্টির জন্য ফরিয়াদ করছে তারা।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় পাটের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩ হাজার ৫ শত ৯০হেক্টর। চাষ হয়েছে ৪১ হাজার ১০ হেক্টরে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ হাজার ৪২০ হেক্টর বেশি। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১৩ হাজার ৪০০ হেক্টর, শ্রীপুরে ১০ হাজার ৩৫ হেক্টর, শালিখায় ৬ হাজার ৬ শত ৭৫হেক্টর ও মহম্মদপুরে ১০ হাজার ৯ শত হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। যা থেকে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৬০ হেক্টর বেল পাট উৎপাদিত হবে বলে আশা প্রকাশ করে কৃষি বিভাগ।
বর্তমানে জেলার কৃষকরা পাট কাটা, জাগ দেয়া নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চাষিরা স্থানভেদে পাট কেটে নদী, নালা, খাল বিল ও ডোবায় জাগ দেয়া, আঁশ ছড়ানো এবং হাটে বাজারে আগাম পাট (বাচক পাট) বিক্রি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ বছর আগাম পাট ১৮“শ থেকে ১৯‘শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
কৃষকেরা পানি সল্পতা ও দাম দুটো নিয়েই তাদের দুশ্চিন্তার কথা জানালেন। জানালেন বরাবরই এদুটিই তাদের সোনালী পাটের রুপালি কষ্ট।


