মাগুরানিউজ.কমঃ
মুসলমানদের বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর তাই ঈদের শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত সব শ্রেণির মানুষ। শেষ সময়ের কেনাকাটার অপেক্ষায় টুপি, জায়নামাজ, তসবিহ, আর আতরের দোকানে। বেচাকেনা চলবে ঈদের নামাজের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত।
মাগুরা শহরের কলেজ রোড ও সৈয়দ আতর আলী রোডের দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, আতর, টুপি, তসবিহর দোকানে চুপচাপ বসে আছে বিক্রেতারা। পাশাপাশি দরদামও করতে দেখা যায় অনেককে।
দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের দোকানে সুগন্ধি আতরের মধ্যে জান্নাতুল ফেরদৌস, জেসমিন, রোজ ও দিলরুবা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। এছাড় ভালো মানের রেড রোজে, অ্যারাবিয়ান বেলি, মর্নিং কুইন নামক বিভিন্ন আতর। মান ভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি করা হচ্ছে। আর দেশি আতরের মধ্যে হাসনাহেনা, রজনীগন্ধা, গোলাপ, বেলি, নাইট ফ্লাওয়ার, জান্নাতুল ফেরদৌস বিক্রি হচ্ছে। দেশের বাজারের বেশির ভাগ আতরই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা।
টুপি বিক্রেতা আলমগীর হোসেন বলেন, এবার বিভিন্ন ধরনের টুপি পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। বাহারি রঙের কাপড় ও সুতা ব্যবহার করা টুপির চাহিদা বেশি। এদের মধ্যে কোনটা হাতে নকশা করা, কোনটা প্রিন্ট করা, কোনটা আবার একেবারে সাদামাটা। ডিজাইনের পাশাপাশি টুপির দামের ক্ষেত্রে রয়েছে বিভিন্ন রকম।
এ ছাড়াও দেশি জায়নামাজের চেয়ে বিদেশি জায়নামাজের দাম তুলনামূলক বেশি। দেশি জায়নামাজ ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও বিদেশি জায়নামাজের মধ্যে সৌদি আরব ও পাকিস্তানি জায়নামাজের দাম সবচেয়ে বেশি বলে জানান জায়নামাজ বিক্রেতা আজগর আলী।
টুপি আতর কিনতে আসা মানুষের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন পদের তসবিহ সংগ্রহ করছেন। সৌখিন লোকদের কাঠের, পাথরের ও ক্রিস্টালের তৈরি তসবিহ প্রতি বিশেষ আকর্ষণ আছে বলেও জানান এই বিক্রেতা।
বায়তুল মোকাররম মসজিদ সংলগ্ন টুপির দোকানগুলোতে ছেলে এবং নিজের জন্য টুপি-আতর কিনতে এসেছেন বেসকরকারি চাকরিজীবী আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, প্রতিবছর ঈদের কেনাকাটা হওয়ার পর টুপি-আতর না কিনলে কেনাকাটার পূর্ণতা পায় না। তাই প্রতিবছর ঈদের সময় টুপি আতর কিনি।


