মাগুরানিউজ.কম:
মাগুরা জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মারুফ কারকীসহ জামায়াত-শিবিরের ২০ নেতা-কর্মীর নামে বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মাগুরা সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন এসআই আরিফুর রহমান।
এদিকে পুলিশি অভিযানে দুই জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই ও নাশকতা পরিকল্পনার তথ্যসম্বলিত কাগজপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মাগুরা পুুলিশ সুপার এহসান উল্লাহ তার কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বুধবার বিকেলে জামায়ত-শিবিরের কয়েক নেতা-কর্মী নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মাগুরা শহরের আতর আলী সড়কের মধুমতি সিনেমা হলের সামনে জড়ো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নাশকতাকারীরা পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশের হাতে আটক হয় শিবির কর্মী আলতাফ হোসেন (২৫)। ঘটনাস্থল থেকে দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
এর আগে নাশকতার মামলায় অভিযোগে ৩৬ দিন হাজত খেটে সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে ঢাকায় গিয়েছিল আলতাফ । ঢাকা থেকে নাশকতার দায়িত্ব নিয়ে সে কয়েক দিন আগে মাগুরায় আসে। সে মাগুরায় বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টির জন্য জামায়াতের কর্মীদের সংগঠিত করছিল। সে পুলিশের কাছে বুধবার বিকেলে নাশকতার উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া সংঘবদ্ধ জামায়াত নেতা-কর্মীদের নাম প্রকাশ করেছে।
এ ঘটনায় আলতাফ ও জেলা জমায়াতের সেক্রেটারি মারুফ কারকীসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে। পুলিশ এ মামলায় ৮ জনকে আটক করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য মোতাবেক শহরের দরিমাগুরা এলাকায় জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক এম বি বাকের ও প্রচার সম্পাদক সাইদ আহম্মেদ বাচ্চুর বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই ও জামায়াতে কর্মকাণ্ড ও আগামী দিনের নাশকতার ছকসম্বলিত বিপুল পরিমাণ কাগজপত্র উদ্ধার করেছে।
পুলিশ সুপার এহসান উল্লাহ অভিযোগ করেন, উদ্ধারকৃত কাগজপত্র থেকে জানা গেছে চক্রটি মাগুরায় ব্যাপক নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল।

