আজ শনিবার, অগাস্ট ৮, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, রোগীদের দুর্ভোগ
- শ্রীপুরে ৪ টি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
- শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
- শ্রীপুরে আলোচিত শিশু রাজিয়া ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় আসামীর মৃত্যুদণ্ড
- শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হত্যাকাণ্ডে জড়িত না এমন ব্যক্তিদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
- শ্রীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ
- শ্রীপুরে পিতা ও পুত্রকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম, দোকানঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট
- টিসিবিতে নিম্মমানের পণ্য, প্যাকেজের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় ক্রেতাদের অসন্তোষ
- শ্রীপুরে দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় ২০ টি বাড়িঘর ব্যাপক ভাঙচুর লুটপাট
মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক
২ বছর ৩ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে শ্রীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। ফলে হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া হয়। ২০২৫ সালের ১ লাখ ৯২ হাজার ৭২৪ টাকার বিদ্যুৎ বিল প্রদান করা হয়। বকেয়া বিল প্রদানের পরও ২০২৪ সালের মে মাস থেকে ২০২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত মোট বকেয়া বিলের পরিমাণ দাড়ায় ১ লাখ ৯২ হাজার ৭২৪ টাকা।
মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আব্দুল আওয়াল জানান, বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে দুই থেকে তিনবার বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য সতর্ক করা হয়েছিল। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও বাজেট সংকটের কারণে বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি।
সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় গর্ভবতী নারীদের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হচ্ছে। চিকিৎসার জন্য জন্য আসা রোগী ও রোগীর স্বজনেরা হাতপাখা দিয়ে বাতাস নিচ্ছেন। কেউ কেউ চিকিৎসা সেবা নিতে অন্য হাসপাতালে চলে যাচ্ছেন। রোগীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ না থাকায় পরিস্থিতি আরও কষ্টকর হয়ে উঠছে।
শ্রীপুর পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. এনামুল হক বলেন, “ ২ বছরের বেশি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকা চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আগে বছরে ২ বার অধিদপ্তর থেকে বিদ্যুৎ বিল প্রদান করতো। অনেকদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমানের পর্যায়ক্রমে বিল প্রদান করছে অধিদপ্তর। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ বিল প্রদান করা হবে।
শ্রীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. শামীম উদ্দিন বলেন, “ বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়া দ্রুত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে একাধিকবার নোটিশ ও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক মাসের বিল বকেয়া থাকায় নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রোগীদের স্বার্থে দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধ করে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিকরা।


