মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-
আজ শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে বিজয়া দশমীর রাতে মদপানে দুই জনের মৃত্যু
- শ্রীপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
- শ্রীপুরে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে ১ জনের মৃত্যু! আহত-৬
- শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও'র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময়
- শ্রীপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- নদীর বুকেই কেটেছে জীবনের ছয়টি দশক, বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও থামেনি রনজিতের বৈঠা
- শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা ক্যান্সার আক্রান্ত সাহিদা বেগমের ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিন পার
- শ্রীপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তাদের আকষ্মিক পরিদর্শন
- শ্রীপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু
তালের পাখা প্রাণের সখা, ভাদ্র মাসে যায় ইহার দেখা…’ চলছে শরৎ কাল, প্রকৃতির নিয়ম অনুসারে চারিদিক থাকার কথা ছিল নাতিসিতোষ্ণ। বয়ে যাওয়ার কথা মৃদু বাতাস কিন্তু প্রকৃতির বৈরতায় অসহনীয় গরমে হাঁপিয়ে উঠেছে জনজীবন। তবুও থেমে নেই মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কাজ। তবে বিদ্যুৎ চলে গেলেই গরমে হাঁসফাঁস করছে কর্মব্যস্ত মানুষ। তাইতো গা শীতল করতে কিছু সময়ের জন্য হলেও ব্যবহার করছেন সনাতন পদ্ধতিতে হাতপাখা।
উপজেলার শতখালি, গঙ্গারামপুর, ধনেশ্বরগাতী, শতখালীসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, মোড়ে মোড়ে বিক্রি করা হচ্ছে তালপাখা দিয়ে এক বিশেষ ধরনের তৈরি হাত পাখা। একটু প্রশান্তি পেতে তালপাখার জুড়ি নেই বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। তাল গাছের পাতা কেটে রোদ্দুরে শুকিয়ে একটি বিশেষ পদ্ধতিতে তাল পাখা তৈরি হয়। প্রতিটি হাত পাখা বিক্রি করা হচ্ছে ৫০-৮০ টাকা। যা কিছুদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ২০-৩০ টাকায়। দুরদুরান্ত এলাকা থেকে ক্রয় করে এনে বিক্রি করার কারণে ও বিভিন্ন জিনিসের বাজার মূল্যের সাথে মিল রেখে তাল পাখার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
এছাড়াও প্রতি বুধবার ও শনিবার উপজেলা সদর আড়পাড়া বাজারে চলে তালপাখা বিক্রির ধুম। সকল শ্রেণী পেশার মানুষ একটি দুটি ক্রয় করে ছুটছেন গন্তব্যের দিকে। নিমিষেই ফুরিয়ে যাচ্ছে শত শত তালপাখার গাইট। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা এখানে আসে তালপাখা ক্রয় করতে।
এমনি কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বললে তারা জানান, প্রচণ্ড গরমে যখন বিদ্যুৎ চলে যায় তখন চার্জার ফ্যানের পাশাপাশি তালপাখা পরিপূরক ভুমিকা পালন করে। এছাড়াও গা শীতল করতে তালপাখার জুড়ি নেই বলেও জানিয়েছেন তারা।
শ্রী ইন্দ্রনীল গবেষণা এসোসিয়েটসের সিইও শ্রী ইন্দ্রনীল বলেন, ২০ বছর আগে যখন মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ ছিল না তখন মানুষ দেহ শীতল করতে তালপাখা ব্যবহার করত, অনেকেই যা এখন স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। তবে এখনো কিছু কিছু মানুষ বিদ্যুৎ চলে গেলে গা শীতল করতে তালপাখা ব্যবহার করেন। তাই আমি মনে করি গরমের দিনে তালপাখা হতদরিদ্র মানুষের নিত্য সঙ্গী।

