মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-
আজ শনিবার, মে ২, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে চুরি-ছিনতাই, বিপাকে রোগী ও স্বজনেরা
- শ্রীপুরে কৃষকদের পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের খেলোয়ার বাছাই প্রক্রিয়া শুরু
- শ্রীপুরে সম্পত্তি বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যা, দুই আসামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে মাইক্রো-ভ্যানের সংঘর্ষে স্কুল শিক্ষক নিহত, ভ্যান চালক আহত
- শ্রীপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে ১৯৫২ জন শিক্ষার্থী
- শ্রীপুরে তিন হাজার মিটার অবৈধ চায়না জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস
- শ্রীপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে ১৯৫২ জন শিক্ষার্থী
- শ্রীপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
তালের পাখা প্রাণের সখা, ভাদ্র মাসে যায় ইহার দেখা…’ চলছে শরৎ কাল, প্রকৃতির নিয়ম অনুসারে চারিদিক থাকার কথা ছিল নাতিসিতোষ্ণ। বয়ে যাওয়ার কথা মৃদু বাতাস কিন্তু প্রকৃতির বৈরতায় অসহনীয় গরমে হাঁপিয়ে উঠেছে জনজীবন। তবুও থেমে নেই মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কাজ। তবে বিদ্যুৎ চলে গেলেই গরমে হাঁসফাঁস করছে কর্মব্যস্ত মানুষ। তাইতো গা শীতল করতে কিছু সময়ের জন্য হলেও ব্যবহার করছেন সনাতন পদ্ধতিতে হাতপাখা।
উপজেলার শতখালি, গঙ্গারামপুর, ধনেশ্বরগাতী, শতখালীসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, মোড়ে মোড়ে বিক্রি করা হচ্ছে তালপাখা দিয়ে এক বিশেষ ধরনের তৈরি হাত পাখা। একটু প্রশান্তি পেতে তালপাখার জুড়ি নেই বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। তাল গাছের পাতা কেটে রোদ্দুরে শুকিয়ে একটি বিশেষ পদ্ধতিতে তাল পাখা তৈরি হয়। প্রতিটি হাত পাখা বিক্রি করা হচ্ছে ৫০-৮০ টাকা। যা কিছুদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ২০-৩০ টাকায়। দুরদুরান্ত এলাকা থেকে ক্রয় করে এনে বিক্রি করার কারণে ও বিভিন্ন জিনিসের বাজার মূল্যের সাথে মিল রেখে তাল পাখার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
এছাড়াও প্রতি বুধবার ও শনিবার উপজেলা সদর আড়পাড়া বাজারে চলে তালপাখা বিক্রির ধুম। সকল শ্রেণী পেশার মানুষ একটি দুটি ক্রয় করে ছুটছেন গন্তব্যের দিকে। নিমিষেই ফুরিয়ে যাচ্ছে শত শত তালপাখার গাইট। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা এখানে আসে তালপাখা ক্রয় করতে।
এমনি কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বললে তারা জানান, প্রচণ্ড গরমে যখন বিদ্যুৎ চলে যায় তখন চার্জার ফ্যানের পাশাপাশি তালপাখা পরিপূরক ভুমিকা পালন করে। এছাড়াও গা শীতল করতে তালপাখার জুড়ি নেই বলেও জানিয়েছেন তারা।
শ্রী ইন্দ্রনীল গবেষণা এসোসিয়েটসের সিইও শ্রী ইন্দ্রনীল বলেন, ২০ বছর আগে যখন মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ ছিল না তখন মানুষ দেহ শীতল করতে তালপাখা ব্যবহার করত, অনেকেই যা এখন স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। তবে এখনো কিছু কিছু মানুষ বিদ্যুৎ চলে গেলে গা শীতল করতে তালপাখা ব্যবহার করেন। তাই আমি মনে করি গরমের দিনে তালপাখা হতদরিদ্র মানুষের নিত্য সঙ্গী।

