মাগুরানিউজ.কমঃ
চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে চম্পট দিয়েছে রোজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামে এক কোম্পানি। এ ব্যাপারে মাগুরার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কোম্পানির চেয়ারম্যান মোস্তাক আহম্মদ, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সজিব মিয়াকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কাইয়ুম আলী ও তবিবুর রহমান।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলার কান্দাবাশকাঠা গ্রামের মো. হাসেম আলীর ছেলে মোস্তাক আহম্মদ চেয়ারম্যান ও গোপালগঞ্জ জেলার মুখসুদপুর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের আবুল বাশার মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া যোগসাজসে রোজ ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি গড়ে তোলেন, যার লাইসেন্স নং- সি-১০২২২১ টিত নং-৫৩৮-১০০-০১৮৮/সা-৬১ ঢাকা দেখিয়ে মাগুরা পুলিশ লাইন পাড়ায় জোনাল অফিস খুলে বসেন।
প্রতিষ্ঠানের পুঁজি সংগ্রহের জন্য দুই বাদীসহ বেশ কিছু লোকের কাছে নার্সারি প্রকল্প কুরিয়ার সার্ভিস, রফতানি, রিয়েল এস্টেট বাণিজ্যিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের প্রস্তাব দেন।
বাদী মাগুরা সদর উপজেলার ঢেপুলিয়া গ্রামের কাইয়ুম আলী ও একই উপজেলার কুশাবাড়িয়া গ্রামের তবিবুর রহমান চুক্তির শর্ত মোতাবেক প্রতি মাসের মাসিক মুনাফা ও মূলধনের টাকা রশিদের মাধ্যমে ফেরৎ পাওয়ার শর্তে ৭৫ হাজার ও ৫০ হাজার করে টাকা বিনিয়োগ করেন। বিনিয়োগকারী অন্য যাদের নাম জানা গেছে, তাদের মধ্যে সৈয়দ শফিকুর রহমান ২ লাখ, খান মহসিন আলী ১ লাখ, মিজানুর রহমান ২ লাখ, মিন্টু শেখ ৩০ হাজার, মিশন ৫০ হাজার নাসির, ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে।
এভাবে শ শ মানুষের টাকা সংগ্রহ করে। মাত্র দুমাস বেতন মূলধনের অংশ ফেরৎ দেয়ার পর হঠাৎ করে লেনদেন বন্ধ করে টাকা দিতে টালবাহানা শুরু করে। পরবর্তীতে জোনাল অফিসের সাইনবোর্ডসহ সকল মালামাল রাতের আঁধারে সরিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়। উপায়ন্ত না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দুই ব্যক্তি মামলা দায়ের করেন। টাকা না পেয়ে এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ পথে পথে ঘুরছেন।
এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা আসামিদের গ্রেফতারের মাধ্যমে তাদের টাকা প্রাপ্তির ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন জানিয়েছেন।

