মাগুরানিউজ.কমঃ
যৌতুকের দাবিতে মাগুরা সদর উপজেলার আঠারখাদা গ্রামে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে রিক্তা খাতুন (২০) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। রোববার দুপুরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার পর ওই গৃহবধূর স্বামী সাহেব ও তার পরিবারের সদস্যরা পালাতক রয়েছে।
নিহতের বড় ভাই মো. রোকনুজ্জামান রাইজিংবিডির কাছে অভিযোগ করেন, ৪ বছর আগে তার বোন রিক্তা খাতুনের সঙ্গে মাগুরা সদর উপজেলার আঠারখাদা গ্রামের সাহেব আলীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সে শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য স্ত্রীর ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময় সে স্ত্রীকে মারপিটও করতো।
শনিবার রাতে সে, তার বোন, বোনের স্বামী ও শ্বাশুরি মিলে স্ত্রীর ওপর নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। খবর পেয়ে রোববার সকালে তিনি ও পরিবারের সদস্যরা বোনের বাড়িতে এসে থানায় খবর দেন।
তবে এ প্রসঙ্গে আঠারখাদা গ্রামের একাধিক বাসিন্দা অত্যাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে সামান্য ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের ওপর অভিমান করে রিক্তা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেন।
মাগুরা সদর থানার এএসআই মো. তওহিদ জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মাগুরা সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।


