মাগুরানিউজ.কমঃ
জমি লিখে না দেওয়ায় মায়ের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁকে আহত করেছে তারই ছেলে। সালেহা খাতুন অভিযোগ করেন, উত্তরাধিকার সূত্রে পিতা-মাতার বাড়ি থেকে তিনি বেশ কিছু সম্পত্তি পেয়েছিলেন। এগুলো বিক্রি করে তিনি স্বামী আকামত হোসেনের গ্রাম সদর উপজেলার জাগলায় নিজ নামে জমি কিনেছেন ও পাকা বসতবাড়ি স্থাপন করেছেন।
একমাত্র ছেলে আলমগীর ছাড়া তার একটি মেয়ে আছে। তার মৃত্যুর পর ওই মেয়ে যাতে মায়ের সম্পত্তির অংশ না পায় সেজন্যে ছেলে আলমগীর হোসেন নানা কৌশল করে আসছিল। কিছুদিন আগে হুমকির মুখে তাকে দিয়ে ওই সম্পত্তি তারা দানপত্র করিয়ে নেয়। পরে আইনের আশ্রয় নিয়ে তিনি ওই দানপত্র দলিল বাতিল রদ ও রহিত করেন। এতে ছেলে আলমগীর, পৌত্র মামুন ও পুত্রবধূ পারভীন তার ওপর ক্ষিপ্ত হন এবং এটি পুনরায় লিখে দিতে চাপ দিতে থাকে।
গতকাল সোমবার ছেলে আলমগীরসহ অন্যরা সুপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়ে তাঁকে আহত করে। এ সময় প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে তাকে চিকিৎসা করান। পরে তিনি এই হামলার ঘটনা জানিয়ে ওইদিনই মাগুরা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আলমগীর,তার স্ত্রীসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি আমলে নিয়ে বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট ফারাহ মামুন সালেহা খাতুনের ওপর হামলাকারী ছেলে আলমগীর হোসেনসহ সহযোগিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পারোয়ানা জারি করেছেন।


