মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরা পৌরসভার আবালপুরের পুরাতন ইটখোলা আবাসিক এলাকায় ইটভাটা স্থাপনকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছে এলাকাবাসী।
বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অভিযোগ, এক সময় এটি একটি ফসলি জমির এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ছিল। পরে নিকটবর্তী এলাকায় একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মানুষের বসতি স্থাপিত হওয়ায় এটি ঘণবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিণত হয়। এ এলাকায় অনেক আগে স্থাপিত এইচএনবি নামের একটি ইটভাটা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়ালে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সেটি প্রশাসনিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।
কিন্ত সম্প্রতি একই স্থানে আক্তারুজ্জামান ও খলিলুর রহমান নামের দুই ব্যক্তি নতুন করে ইটভাটা স্থাপন করছে। এ ক্ষেত্রে তারা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কিংবা পৌরসভার কোন অনুমতি পর্যন্ত নেয়নি। অথচ ওই এলাকার ১০০ বর্গগজের মধ্যে এখন একটি সরকারি পলিকেটনিক ইনস্টিটিউটসহ কমপক্ষে শতাধিক বসতি রয়েছে। এ কারণে নতুন করে স্থাপিত ইটভাটাটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসী জনস্বার্থে দ্রুত এ বিষয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
ভাটা স্থাপনকারী খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, আবালপুরের পুরাতন ইটখোলা আবাসিক এলাকায় নতুন ইটভাটা স্থাপনের জন্য কোন অনুমোদন নেয়া নাই। তবে পূর্বে তার শাপলা ইটাভাটা নামে একটি ভাটার অনুমোদন নেওয়া আছে বলে দাবি করেন।
এ ব্যাপারে মাগুরা পৌর মেয়র ইকবাল আখতার খান কাফুর বলেন, ‘সরকারি আইন অনুযায়ী পৌর এলাকায় ইটভাটা নির্মাণের কোন বৈধতা নেই। যেহেতু ওই এলাকা পৌর এলাকার অন্তর্ভুক্ত এ কারণে কোন অবস্থাতেই সেখানে ইটভাটা নির্মাণের সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রয়োজন’।
জেলা প্রশাসক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একটি আবেদন আমরা পেয়েছি। দ্রুত তদন্ত করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে’।


