মাগুরানিউজ.কম:
‘উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছি দুর্বার। এখন সময় বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার’। সত্যিই উন্নয়নের মহাসড়কে আজ বাংলাদেশের দুর্বার পথচলা সমগ্র বিশ্বকে অনুপ্রানীত করছে। আর যার প্রাণান্ত প্রচেষ্টায় উন্নয়নের মহাসড়কে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ, তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
উন্নয়নের মহাসড়কে দুর্বার সে পথ চলায় আজ যুক্ত হলো নতুন পালক। এবার সড়ক সংস্কারের ক্ষেত্রে ভোগান্তি আর দীর্ঘসূত্রতার অবসানের আশা তৈরি হলো।
রাজধানীতে প্রচলিত পদ্ধতির বদলে নতুন পদ্ধতিতে সড়ক সংস্কারের কাজ উদ্বোধন হয়েছে। এর নাম রাখা হয়েছে কোল্ড রিসাইক্লিং। এ পদ্ধতিতে ১২ ফুট প্রশ্বস্ত ও এক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রাস্তা দুই ইঞ্চি পুরুত্বে কেটে আবার কার্পেটিং করতে সময় লাগবে সাত-আট ঘণ্টা।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় পলাশী মোড়সংলগ্ন ‘জহির রায়হান রোড’-এ এই পদ্ধতিতে সড়ক সংস্কারকাজ উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। জহির রায়হান রোড নীলক্ষেত মোড় থেকে পলাশী মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সাঈদ খোকন বলেন, ‘এই পদ্ধতিতে আমরা সম্পদের সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম ব্যবহার করতে পারব। আশা করি, এরপর অন্যান্য সিটি করপোরেশনও রোড ব্যবস্থাপনায় এই পদ্ধতির ব্যবহার হবে।’
প্ল্যান্টটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে মেয়র বলেন, ‘আমরা জানি রাস্তাগুলো প্রতি বছর মেরামতের ফলে ৩-৪ ইঞ্চি উঁচু হয়ে যায়, ফলে বৃষ্টির দিনে রাস্তার দুই পাশে পানি প্রবাহিত হয়ে আশপাশের বাসায় প্রবেশ করে। কিন্তু এই পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা ১২ ইঞ্চি গভীর পর্যন্ত রাস্তা কেটে ওই ওই উপাদান আবার সংস্কারকাজে ব্যবহার করতে পারব।’
প্ল্যান্ট মেশিন পরিবেশবান্ধব জানিয়ে সাঈদ খোকন বলেন, এই প্ল্যান্টটির আরেকটি সুবিধা হলো এটি পরিবেশবান্ধব। প্ল্যান্টটি চলাকালে কোনো কার্বন নিঃসরন হবে না এবং কোনো ধুলাবালি ও ধোঁয়া নির্গত হবে না।
মেয়র বলেন, বর্তমানে কোনো রাস্তা মেরামতে যদি এক কোটি টাকা খরচ হয় এই পদ্ধতির মাধ্যমে সেখানে ৪০ শতাংশ কম খরচে রাস্তা সংস্কার করা যাবে।


