মাগুরানিউজ.কমঃ
এক লেনের ব্যস্ত ঢাক-খুলনা মহাসড়কে ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহণ চলাচল করায় সড়ক দুর্ঘটনা বেড়ে গেছে। ট্রাফিক আইনে ঘন কুয়াশায় মহাসড়কে যান চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও তা কেউ মানছেন না। চালকদের দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনা বাড়ছে।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে সর্বত্র। রাতে প্রচণ্ড কুয়াশায় ২০ গজ সামনের কোনো বস্তু ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে চালকরা যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহণ চালাচ্ছেন। এতে ব্যস্ত এক লেনের মহাসড়কে প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, মহাসড়কে দিনের বেলায় হেড লাইট জ্বালিয়ে হর্ন চেপে যানবাহন চলাচল করছে। অত্যন্ত ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করায় গন্তব্যে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লেগে যাচ্ছে। একান্ত বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ যানবাহনে উঠছেন না।
মহাসড়কে নসিমন-করিমন চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও তা কেউ মানছেন না। কুয়াশার মধ্যে নসিমন উল্টে ও সংঘর্ষে ৩ জন মারা গেছেন।
মানিকগঞ্জের ট্রাকচালক আশরাফ আরী বলেন, কুয়াশার মধ্যে গাড়ি চালানো বিপদজ্জনক জেনেও তারা নিরুপায় হয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন। এর সঙ্গে তাদের রুটি রুজি জড়িত।
যশোরের ভায়না এরাকার কাঁচামাল ব্যবসায়ী সাজ্জাদ জানান, তিনি ঢাকার কারওয়ান বাজারে সবজির চালান করেন। নিয়মিত সবজি দিতে না পারলে মহাজন তার কাছ থেকে আর সবজি নেবেন না। তাই যেকোনো অবস্থায় তারা সবজি নিয়ে ট্রাকে ওঠেন।
ঢাকা থেকে খুলনাগামী যাত্রীবাহী হানিফ পরিবহণের চালক আব্দুল হালিম বলেন, কুয়াশার মধ্যে কমলা রঙের হ্যালোজেন লাইট জ্বালিয়ে তারা কম গতিতে সতর্ক হয়ে চলাচল করছেন।
মাগুরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই অজিয়ার রহমান জানান, ঘন কুয়াশায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত বিপদজ্জনক। কম জনবল নিয়ে হলেও যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন।


