মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরার মহম্মদপুরের দীঘার ভাটরা গ্রামে গত শনিবার সংঘর্ষে আজাদ নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়। এই ঘটনার জের ধরে হামলা-লুটের আশঙ্কায় মালপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন গ্রামবাসি। চরম অনিশ্চয়তায় আতংকে কাটছে তাদের দিন। পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় অনিশ্চয়তায় আতংকে কাটছে তাদের দিন। অনেক পরিবারে ঠিকমতো খাবারও জুটছেনা।
সরজমিনে দেখা যায়, মানবেতর দিন কাটছে নারী ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধা শিশুদের। স্কুলে যাওয়া বন্ধ রয়েছে এই গ্রামের শিশুদের।

গ্রামের এই ঘটনার হামলা-লুটের শিকার হয়েছেন অনেকেই। তেমনই একজন শেফালী বেগম। এই ঘটনার জের ধরে অনেকের সাথে শেফালী বেগমের কষ্টের স্বম্বল দশ টি ছাগল নিয়ে যায় প্রতিপক্ষের লোকজন । তিনি এই ঘটনার বর্ণনা দিতে দিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন, এসময় তার কোলের অবুঝ শিশুও কাঁদতে থাকে।
দেখা যায় নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে গ্রাম ছাড়ছেন একজন। জনা যায় অনেকেই এলাকা ছেড়েছেন এবং ছাড়ছেন। তারা জানান পুনরায় এই ঘটনার জের ধরে হামলা-লুটের আশঙ্কায় মালপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন গ্রামবাসি।
উল্লেখ্য, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ভাটরা গ্রামে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আজাদ শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। নিহত আজাদ শেখ পাশের পাল্লা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মাজেদ শেখ।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে।


