মাগুরানিউজ.কমঃ
বিজন প্রত্যুষে চোখে পড়ছে শিশিরে স্নাত হচ্ছে ঘাষ, পাতা-প্রকৃতি। এ দৃশ্য দেখে বোঝা যাচ্ছে এটা শীতের আগমণী বারতা। এখনই মধ্যরাতের পর থেকে কুয়াশার পাতলা চাদরে ঢেকে যাচ্ছে চারিপাশ।
খেঁজুুর গাট কেটে রস আহরণে গাছিরা ইতোমধ্যেই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। রসের পিঠাসহ শীতের নানা রকম পিঠা-পুলির উৎসব অপেক্ষা করছে সামনে। এ সময় ঘরে ঘরে পিঠা তৈরির ধূম পড়ে যায়। বাহারি পিঠা তৈরি করে শ্বশুর বাড়িতে জামাই-মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত করে আনা হয়। এটা বাঙালিয়ানা রীতি-রেওয়াজ; যা চলে আসছে বহূকাল ধরে।
শুধু শীত বা পিঠাপুলি নয়-শীতের আগাম জানান দেয়া মানে হলো- এটা কৃষকদের জন্য একটা সংকেতও বটে। শীতের সবজি উৎপাদনের জন্য ক্ষেত প্রস্তুত, মাঠে মাঠে বিভিন্ন তৈলবীজ বপন এবং বোরো ধানের বীজতলা তৈরি ও চারা উৎপাদনের প্রস্তুতিও বটে।


