মাগুরায় কম্বলের মৌসুমি ব্যবসা শুরু

মাগুরানিউজ.কমঃ 

5_104958মাগুরায় কম্বলের মৌসুমি ব্যবসা শুরু। মাগুরার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেল, এরই মধ্যে বাজারে ভিড় করতে শুরু করেছেন ক্রেতারা। এরই মধ্যে রকমারি কম্বলে দোকান সাজাতে ব্যস্ত দোকানিরা। শহরের শীত একটু দেরি করে এলেও গ্রামে এরই মধ্যে ঠান্ডা হাওয়ায় শীতের আগমন বার্তা দিতে শুরু করেছে। ফলে অনেকেই গ্রাম থেকে শহরে আসছেন শীতের কাপড় কিনতে। আর শীত এলে শীতের কাপড়ের দাম বাড়বে এমন আশঙ্কায় শহরের বাসিন্দারা কিনছেন শীতের প্রয়োজনীয় গরম কাপড়। তবে এক পার্ট বা দুই পার্টের পাতলা কম্বলের চাহিদা এখন থেকেই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

অক্টোবর থেকে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন-চার মাসের জন্য কম্বলের মৌসুমি ব্যবসায় শুরু করেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমদানি করা কম্বলের পাশাপাশি গার্মেন্টে তৈরি দেশি কম্বলের চাহিদাও বেশি। দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে এগুলো বেশ জনপ্রিয়।

শহরের কয়েকটি বিপণিবিতান ঘুরে দেখা গেছে, সেখানকার প্রায় শতাধিক ব্যবসায়ী কয়েক মাসের জন্য ব্যবসার ধরন পাল্টে ফেলেছেন। শুরু করেছেন কম্বলের ব্যবসা। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে এরই মধ্যে অনেক দোকান মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে বাহারি রংয়ের কম্বল আর গরম পোশাকে।

বাজারে বর্তমানে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় এক পরতের দেশি কম্বল পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া ছোট আকারের কম্বল ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় এক বা দুই পরতের বিদেশি কম্বল বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের বিদেশি কম্বলের দাম দেড় হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৪ হাজার পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কম্বলের মধ্যে রয়্যাল স্পেন ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৬৫০, ক্যাঙ্গারু ১ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার, হোয়াইট বিয়ার ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০, রয়্যাল স্পেন ২ হাজার ৭০০ থেকে ৪ হাজার, সোলারন ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার, কিংস্টার ২ হাজার থেকে ৫ হাজার, জিনাঙ্ ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

কম্বল ব্যবসায়ী হাফিজুর রশিদ বলেন, কয়েক শীত ধরে বার্মিজ কম্বলগুলো ভালো চলছে। এগুলো পাওয়া যাবে ৫৫০ থেকে ৭৫০ টাকার মধ্যে। এছাড়া দেশীয় গার্মেন্টের কম্বল ফুটপাতে বিক্রি করা হয়। এ সময় মৌসুমি কম্বল ব্যবসায়ীরা এসব কম্বল বেশি কিনে থাকেন। ইসলামপুর, গুলিস্তানের বঙ্গবাজারে সবচেয়ে বড় কম্বলের পাইকারি বাজার রয়েছে। এখানে পাইকারি দামে দেশীয় গার্মেন্টের কম্বল পাওয়া যাবে ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায়। আর বিদেশি আমদানি করা কম্বল মান ভেদে পাওয়া যাবে ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

বড়দের কম্বলের পাশাপাশি চাহিদা রয়েছে ছোটদের ছোট আকারের কম্বলের। এগুলোর চাহিদা এখনও তেমন না থাকলেও তারও প্রস্তুতি নিয়ে রাখছেন বিক্রেতারা। মৌচাক মার্কেটের ফুটপাতের ব্যবসায়ী নিয়াজ আহম্মেদ বলেন, ক্রমেই কম্বলের চাহিদা বাড়ছে। শীত আরেকটু বাড়লেই এর চাহিদা আরও বাড়বে। ছোটদের কম্বলও আছে। এগুলোর বেশিরভাগ আমদানি করা কম্বল। গোলাপি, লাল, সবুজ, নীল রঙের মাঝে অনেক ফুলের ছাপ এসব কম্বলে রংয়ের বৈচিত্র্য বেশি থাকে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
%d bloggers like this: