মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরাতে শীত জেঁকে বসেছে। কুয়াশার কারণে রোদের তাপ তেমন নেই। প্রতিদিন তাপমাত্রা কমছে। গরম কাপড়ের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে গরিব মানুষ।
এদিকে প্রচণ্ড ঠান্ডায় বৃদ্ধ ও শিশুদের মধ্যে সর্দিজ্বর, আমাশয়, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
এদিকে শীত নিবারণের জন্য শীতের কাপড় কেনাবেচার হিড়িক পড়েছে। বিশেষ করে ফুটপাতে গড়ে উঠা অস্থায়ী গরম কাপড়ের দোকানে এখন প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ ভাসমান দোকান থেকে শীতবস্ত্র ক্রয় করছেন। শীত নিবারণের জন্য সাধারণ মানুষের ভরসা এখন ফুটপাত।
বাসটার্মিনাল ও রাস্তার ফুটপাতে শুয়ে যাদের জীবন কাটে তাদেরকে এই হিম শীতে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কনকনে ঠান্ডা হাওয়ায় কষ্ট পাচ্ছে শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেই। রোদের তেমন দেখা মিলছেনা। সকাল থেকে ঠাণ্ডা হিমেল হাওয়ায় হাড় কেঁপে উঠছে। বেড়েছে ভাসমান মানুষের দুঃখ কষ্ট।
ফুটপাতের ভাসমান শীতবস্ত্রের দোকানে কথা হয় বিক্রেতাদের সাথে। হকার মার্কেটের ফুটপাতের ভাসমান ব্যবসায়ী রফিক মিয়া জানান ব্যবসা বেশ জমে উঠেছে। বিশ টাকা থেকে শুরু করে দুই শত টাকা পর্যন্ত দামে শীতের কাপড় বিক্রি হচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বেচাকেনা হচ্ছে। তিনি জানান, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতাই বেশি। সেই সাথে রিকশা চালকসহ অসহায় শীতার্ত মানুষও কম দামে শীতবস্ত্র ক্রয় করছেন। পুরনো এসকল শীতের কাপড় কিনতে মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখেই বুঝা যায়, শীত কতটা তীব্র আকার ধারণ করেছে।
এ ব্যাপারে আব্হাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, এখন মৃদু শৈত্য প্রবাহ চলছে। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমছে-সেই কারণে শীতের অনুভূতি বাড়ছে। এখন পুরোদমে উত্তর দিকের বাতাস বইছে। এই সময়টাকে কিছু বিরতি দিয়ে দিয়ে ঠাণ্ডা হাওয়া বইতে থাকে।


