মাগুরানিউজ.কম:
শহর প্রতিবেদকঃ
দেইখ্যা লন বাইছ্যা লন। তাজা ইলিশ। একদাম ৫০০ টাকা কেজি। কোনো দামাদামি নাই।
এভাবেই বৃহস্পতিবার মাগুরা নতুন বাজার হাটে করে মাছ বিক্রি করেছেন একাধিক মাছ বিক্রেতা। বিক্রেতারা জানালেন, এমন কম দামে মাছ কেনান সুযোগ সব সময় আসে না। দরদাম না করে কিনে নিয়ে যাওয়ার কথাও বললেন তিনি। জানালেন খেয়ে মজা পাওয়া যাবে।
অন্যদিকে মাগুরার বিভিন্ন পাড়ায় ও অলিগলিতে ইলিশ বিক্রির চিত্রও সহসায় চোখে পড়ছে। দেখা যায়, হাড়িতে করে ঘুরে-ফিরে সাধারণত মাঝারি সাইজের ইলিশ বেশি বিক্রি হচ্ছে। ওজনে ৪শ-৬শ গ্রাম হবে। তবে এর চেয়েও ছোট সাইজের ইলিশ পাওয়া যায় তাদের কাছে।
সাধারণত ছোট সাইজের ইলিশগুলো ৪শ-৩শ টাকায় বিক্রি হয়। এগুলোর ক্রেতাও প্রচুর। জানা গেছে, ইলিশের প্রাচুর্যতায় বাণিজ্য এখন রমরমা। অনেক সবজি বিক্রেতাও সব বাদ দিয়ে ইলিশের ব্যবসা ধরেছেন।
মাগুরা শহরের পুরাতন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে অন্য কোনো মাছ নেই বললেই চলে। যারা অন্য মাছ তুলেছেন, তাদের বিক্রিও অনেক কম। সবাই ইলিশ কিনছেন দেদারসে।
রফিক নামে এক মাছ বিক্রেতা জানান, আগে সবজি বিক্রি করতাম। গত এক সপ্তাহ ধরে ইলিশ বিক্রি করছি। একদিকে বিক্রি করে শান্তি পাচ্ছি, অন্যদিকে মুনাফাও ভালো হচ্ছে।
মাগুরার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি। বাজারে অন্য মাছ কিনতে এসেও মোড় ঘুরে যাচ্ছে ক্রেতাদের।
আরিফুর রহমান নামের একজন ক্রেতা বলেন, ভাবলাম অন্য মাছের সঙ্গে সবজি কিনবো। কিন্তু ইলিশের দাম কম দেখেই বেশি করে কিনলাম। মাঝারি ইলিশ হলেও দাম পড়ল ৪০০ টাকা কেজি। তিনি বলেন, সবাই দেখলাম বেশি করে ইলিশ কিনছে, তাই আমিও কিনলাম। একবারেই ১৪০০ টাকার মাছ কিনেছি।
উল্লেখ্য, প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ মাছ সংরক্ষণে আগামী ১ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এই মাছ ধরা, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তাই শেষবেলায় ইলিশের বেচাকেনায় ধুম পড়েছে।
Like this:
Like Loading...