মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদন-
জ্যৈষ্ঠে মাঝামাঝি থেকে মাগুরা অঞ্চলের কাঁঠাল পাকতে শুরু করেছে। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন হাট ও বাজার গুলোতে প্রচুর পরিমাণে কাঁঠাল উঠতে শুরু করেছে।
মাগুরার মাটি কাঁঠাল উৎপাদনের উপযোগী হওয়ায় এ অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে কাঁঠাল উৎপাদিত হয়। যা প্রতি মৌসুমে সারাদেশের চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখছে।
একাধিক কাঁঠাল চাষি জানান, গ্রামাঞ্চালের প্রতিটি কৃষক পরিবারে বসতবাড়ির আশপাশে কম বেশি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। কৃষকরা মৌসুমে নিজেদের পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাকিগুলো বিক্রির মাধ্যমে পয়সা আয় করে থাকেন।
মাগুরা হাটে কৃষক আব্দুল হক জানান, তার নিজের শতাধিক কাঁঠাল গাছ রয়েছে। প্রতিবছর তিনি ২ থেকে আড়াই লাখ টাকার কাঁঠাল বিক্রি করে থাকেন।
তিনি জানান, প্রতি মৌসুমে এ এলাকার উৎপাদিত কাঁঠাল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পাইকাররা কিনে নিয়ে যান। তিনি আরো জানান, পাইকারি বাজারের চেয়ে স্থানীয় বাজারে খুচরা বিক্রি করতে পারলে দ্বিগুণ পয়সা পাওয়া যায়। কিন্ত কাঁঠাল পাকা শুরু করলে ঘরে অথবা গাছে রেখে দেয়ারও সুযোগ নেই। ফলে পাইকারি ব্যবসায়ীরা যে দামই বলুক না কেন চাষিদের বিক্রি করা ছাড়া উপায় থাকে না। এ সুযোগটা কাজে লাগিয়ে লাভ করে পাইকারী ব্যবসায়ীরা।
উপজেলার একাধিক স্থানীয় কাঁঠাল ব্যবসায়ী জানান, কাঁঠালের মৌসুমে গ্রাম গ্রাম ঘুরে কাঁঠাল কিনে বাইরে থেকে আসা পাইকারদের নিকট বিক্রি করে থাকেন। তার মত অনেকেই প্রতি মৌসুমে এভাবে কাঁঠালের ব্যবসা করে থাকেন বলে জানায় তারা।
পটুয়াখালী থেকে মাগুরা শহরে কাঁঠাল কিনতে আসা ব্যাপারী জসিম উদ্দীন জানান, আজ থেকে ২০ বছর আগে থেকে প্রতি বছর কাঁঠালের মৌসুমে এ অঞ্চল থেকে কাঁঠাল কিনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, বাউফল, শরিয়তপুর, পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে থাকেন। এভাবে তারা ব্যবসা করেন বছরে কমপক্ষে ৩ মাস।
Like this:
Like Loading...