মাগুরানিউজ.কম:
‘লাটসাহেব’ কাঁচা মরিচের এখন বেজায় ঠাট। নজরানা এখন দ্বিগুণ। নিম্ন আয়ের মানুষের মলিন বাজারের থলিতে ঢুকতে ভারি অনীহা তার। এদিকে দাম বাড়ার কারনে কম পরিমাণ কেনাকাটায় খুবই বিরক্ত এই লাটসাহেব। কারণ খুচরা বাজারে ক্রেতারা এক শ গ্রাম বা আড়াই শ গ্রাম করে কাঁচা মরিচ কেনেন।
মাগুরার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ১০০ টাকায় বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ এখন ১৮০-২০০ টাকায়। বিক্রেতারা বন্যা ও আমদানির দোহায় দিলেও দিশেহারা ক্রেতারা। একই সঙ্গে গুজব ছড়িয়ে বাড়তি দাম নেয়ার অভিযোগ তাদের।
মাগুরা পুরাতন কাঁচা বাজার করতে আসা মাসুম মিয়া বলেন, বাজারে কোনো কিছুরই দাম কম না। এখন কাঁচা মরিচের দিকে তো তাকানোই যায় না। কিন্তু বাসায় নানা পদের রান্নায় কাঁচা মরিচ লাগেই।
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের তো আয় বাড়েনি। জিনিস পত্রের দাম বাড়ছে। এতে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও কিছু করার নাই।
বাজারের কাঁচা সবজি বিক্রেতা আরিফ জানান, পাইকারি বাজারে বাড়লে তার প্রভাব খুচরা বাজারেও পরে। বর্তমানে দ্বিগুণের বেশি দাম দিয়ে পাইকারি বাজার থেকে মরিচ আনতে হচ্ছে।
বাজারের অপর বিক্রেতা আলী হোসেন বলেন, কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কমেছে। এখন ২৫০ গ্রাম মরিচ ৫০ টাকার (কেজি ২০০ টাকা) নিচে বিক্রি করলে লোকসান দিতে হবে।
আড়তদাররা বলেন, এখন বাজারে তেমন মরিচ নেই। বন্যার কারণে মরিচ উৎপাদন আগেই কমেছে। ফলে বাজারে দেশি মরিচের সরবরাহ কম। এ কারণে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে।
এদিকে সরবরাহ সংকটের কথা বলা হলেও বাজারগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ কাঁচা মরিচ দেখা গেছে। তবে দাম বেশি থাকায় মরিচের বেচাকেনা কমেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।


