মাগুরানিউজ.কমঃ
ব্যাঙ না কি গান করে? যারা গান শোনেননি তারা একটু অবাক তো হবেনই। বর্ষা এলে খালবিল, নদীনালা পানিতে টইটুম্বুর হয়ে যায়। ডোবানালা ভরে যায় বর্ষার পানিতে। সেই ডোবানালায় শুরু হয় বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাঙের উৎসব। সন্ধা থেকেই শুরু হয় মিউজিক্যাল শো। তবে প্রবীনদের মতে মজার বিষয় হল এই বিরক্তিকর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ ডাকটিই হলো তাদের প্রণয় সম্ভাষণ।
যেসব বাঙের জ্বর-সর্দির ভয় নেই তারা পানিতে থাকে। অনেকে অট্টালিকা ভেবে গাছের ডালে বাসা বাঁধে। আর যারা অলস প্রকৃতির তারা ঝোপে-ঝাড়ে, উদ্বাস্তুর মতো ঘুরে বেড়ায়। আলসে বাবুরা যেখানে রাত, সেখানেই কাত এই নীতিতে বিশ্বাসী। তাদের ভেতরেও হয় ভালবাসার আদানপ্রদান।
ব্যাঙের ডাক শুনে গ্রামের গৃহবধূরা অনেক বিরক্ত হন। বাচ্চারা ঢিল ছোড়ে।
বাংলাদেশে প্রায় অর্ধশত প্রজাতির ব্যাঙ পাওয়া যায়। বর্ষায় কটকটি, কাঁকাড়াভুক, কুনো, কোলা, চামড়াঝোলা, জাকেরানাসহ নাম-না-জানা বৈচিত্রময় ব্যাঙের দেখা মেলে গ্রাম-গঞ্জে। ব্যাঙ সংরক্ষণের জন্য আবার দিবসও পালন করা হয়। এই ব্যাঙ আমাদের গ্রামবাংলার ঐতিহ্য। এদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা অনেক জরুরি।


