মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী আলী মিয়া ও আ.লীগ নেতা বর্তমান চেয়াম্যান মোস্তফা সিদ্দিকী লিটনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়েছে।
আজ সকাল থেকে নহাটা ইউনিয়নের অন্তত ৬টি স্থানে প্রায় ২০ গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।
এসময় সংবাদ পেয়ে মাগুরার পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ্ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছান এবং তার নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম, সহকারি পুলিশ সুপার সুদর্শণ রায় ও স্থানীয় থানার ওসি রিয়াজুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের হাত থেকে রক্ষা করলেন এলাকাবাসিকে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। শতাধিক বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালায় দুই পক্ষ। সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মাগুরা সদর হাসপাতাল, মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাশ্ববর্তী নড়াইলের লোহাগড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনেকেই ভয়ে গ্রাম ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ভোটের আগে ও পরে এখানে সংঘর্ষ ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়বে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
সংঘর্ষ নিরসনে মাগুরার পুলিশ সুপার একেএম এহসানউল্লাহ্ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নোহাটা ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৪২ ধারা অনুসারে জনগণের কাছে অপরাধী গ্রেফতার ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সাহায্য চাইলে জনগণ কতৃক পুলিশকে সহায়তা করার আইনী বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এলাকার শান্তিরক্ষার দায়িত্ব সকলের। সকলের সহযোগীতায় আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হবো।
মাগুরার পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ্ মাগুরানিউজকে জানান, উত্তেজনা প্রশমনে পুলিশ সেখানে কাজ করছে। তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি সকলকে উত্তেজনা প্রশমন করে শান্ত থাকার ও শান্তি বজায় রাখার আহবান জানিয়েছেন।


