মাগুরানিউজ.কম:
শেষ হয়েও যেন শেষ হল না! আক্ষেপ কাটে না শেষলগ্নে, দেবীর বিদায় বেলায়। ঘাড়ে ঘাড়ে দিনগুলো। যাহা নবমী তাহাই দশমী। যেন ঘোড়ায় জিন দিয়েই ছুটল সময়। মহানবমীর আনন্দ চেটেপুটে নেওয়ার আগেই, পঞ্জিকায় বিসর্জনের বাদ্যি! দর্পনে ভাসান দূর্গার।
তার মানে উত্সব শেষ, আবার একঘেয়েমির আটঘণ্টা।
এই পুজোর উত্সবে, হল্লা প্রিয় বাঙালির আনন্দে একফোঁটা চোনা যদি কেউ ফেলে থাকে, সে হল তিথি। উত্সবে বাগড়া দিয়ে তিথিই ভিলেন সবার চোখে, বৃষ্টি নয়। ঝলমলে শরত্ আকাশে তিথিই যেন ‘চোখের বালি’ হয়ে রইল আম-বাঙালির।
না হলে, মহাষ্টমীর সকালেই সন্ধিপুজো! একশো আট পদ্মে, একশো বাতিতে, ধুনোধূপের ধুম্রজালের মায়াবী পরিবেশে যেন মনের তাল কেটে দেয় ভরা সকালের সন্ধি! সে অবাক ঘোর কাটার আগেই, নবমী প্রভাতে বিসর্জন বাদ্যির বেদনাঘন পরিবেশে দেবীর বিদায়বরণ। দুর্গার সামনে তিথির বাধ্যবাধকতায়, পঞ্জিকা ধরে, সিঁদুরখেলা।
প্রিয়জনকে ছাড়তে কারই বা মন চায়! কেউ কি আর চায় উত্সব ফুরিয়ে যাক তাড়াতাড়ি! তবু, তো ছাড়তেই হয়। সময় থেমে থাকে না। চলে নিরন্তর। আবার আসছে বছরের অপেক্ষা।
মাগুরা নিউজের সকল পাঠকের জন্য রইল শুভ বিজয়ার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। ভালো থাকবেন সবাই।

