মাগুরানিউজ.কম:
শারদীয় দুর্গোৎসবের আর মাত্র এক দিন বাকি। এখন মন্দিরে মন্দিরে চলছে সাজসজ্জা ও প্রতিমায় শিল্পীর শেষ আঁচর আর আরাধনার প্রস্তুতি। আগামী ১৮ অক্টোবর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় এ দুর্গোৎসব। হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সবাই মেতে উঠবেন বাঙালির সার্বজনীন এ উৎসবে।
এদিকে, পূজাকে ঘিরে মাগুরাতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। গত ১২ অক্টোবর মহালয়ার উদযাপনের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। উৎসবকে সার্থক করতে প্রতিমা শিল্পীরা নাওয়া-খাওয়া ভুলে রাতদিন কাজ করে চলেছেন। গত দুই মাস বিরামহীন প্রতিমা তৈরির কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এখন শুধু প্রতিমার গায়ে রংয়ের শেষ ছোঁয়ার কাজ চলছে। ডেকোরেটরের মালিক-কর্মচারীদের ব্যস্ততাও কম নয়। এরই মধ্যে অনেক পূজামণ্ডপে প্রতিমা রং করাসহ মণ্ডপ তৈরি ও আলোকসজ্জার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
এখনও যেসব মন্দিরের আলোকসজ্জার কাজ শেষ হয়নি, সেসব মন্দির প্রাঙ্গণকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে মন্দিরগুলোতেও চলছে ঘষা মাজা ও রংয়ের কাজ।
সনাতন বিশ্বাস ও বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার ঘোটকে (ঘোড়া) চড়ে মর্ত্যলোকে (পৃথিবী) আসবেন। শঙ্খ, উলুধ্বনি আর মঙ্গল সংগীতে দেবী দুর্গাকে বরণ করে নেবে সনাতন ধর্মাম্বলী ভক্তরা।
প্রসঙ্গত, ১৮ অক্টোবর সায়ংকালে দেবীর বোধন অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ অক্টোবর দেবীর ষষ্ঠী বিহিত পূজা, সায়ংকালে আমন্ত্রণ ও অধিবাস। ২০ অক্টোবর দেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ, সপ্তমী ও মহাসপ্তমী বিহিত পূজা। ২১ অক্টোবর মহাষ্টমী। কুমারী পূজা, সন্ধিপূজা। ২২ অক্টোবর মহানবমী পূজা। ২৩ অক্টোবর দশমী পূজা ও প্রতিমা বিসর্জন। তবে মহালয়ার দিন থেকেই মূলত শুরু হয়েছে দেবী দুর্গার আগমন ধ্বনি।
অন্য বছরের মতো এবারো পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা মোতায়েন করার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

