মাগুরানিউজ.কম: মাগুরায় মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ ও একজন নিহত হওয়ার মামলায় আত্মসমর্পণ করতে যাওয়া এক আসামিকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার সকালে আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দেওয়ার পর জেলা জজ আদালতে ফটক থেকে মামলার দুই নম্বর আসামি মোহাম্মদ আলীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে তার আইনজীবী শফিকুল ইসলাম মোহনের অভিযোগ।
শফিকুল ইসলাম মোহন বলেন,“আত্মসর্মপণের জন্য আবেদন আদালতে জমা দিয়ে সকাল ১০টার দিকে আলীকে নিয়ে আইনজীবীরা জেলা জজ আদালতে প্রবেশ করছিলেন। কিন্তু প্রধান ফটক দিয়ে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়।”
তবে আলীকে গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ইমাউল হক।
“আমাদের কাছে আলীর গ্রেপ্তারের কোনো খবর নেই। পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে, গ্রেপ্তার হলে জানানো হবে,” বলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
গত ২৩ জুলাই বিকেলে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দোয়াপাড় এলাকায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থক দুটি পক্ষের সংঘর্ষে মমিন ভূইয়া নামে একজন নিহত ও গর্ভের শিশুসহ নাজমা বেগম নামের এক গৃহবধূ গুলিবিদ্ধ হন।
২৬ জুলাই নিহতের ছেলে রুবেল ১৬ জনকে আসামি করে মাগুরা সদর থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন।
মামলার আসামিদের মধ্যে ১১ জন কারাগারে আছেন। এছাড়া তিন নম্বর আসামি আজিবর পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। পলাতক চারজনের মধ্যে মোহাম্মদ আলীও ছিলেন।
এদিকে আত্মসমর্পণ করতে আসা আসামিকে আদালত এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জেলা আইনজীবী সমিতি।
সমিতির সভাপতি আব্দুল মজিদ বলছেন, বিষয়টি তারা আদালতকে জানিয়েছেন।

