মাগুরানিউজ.কমঃ
বৈশাখ শেষের পথে। হাতেগোনা আর কয়েকদিন পরেই মধুমাস জ্যৈষ্ঠ। মধুমাসের রসালো ফল আম বাজারে আসার অপেক্ষা এখন। শুধু পাকা আমের জন্য অপেক্ষায় মাগুরা। তারপর বাজারে শোভা আর মিষ্টি গন্ধ ছড়াবে। আমকেন্দ্রিক বাণিজ্য প্রস্তুতি এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। শুরু হয়েছে ঘরে ঘরে আম উৎসবের আয়োজনও।
এখন মাগুরা জুড়ে সারি সারি আমগাছে ঝুলছে নানা জাতের আম। পথের পাশে দৃষ্টি দিলেই থোকায় থোকায় সবুজ আম নজর কাড়বে সবার। অসংখ্য জাতের আম হয় এ জেলায়। সেই আম বাহারি রসালো, মিষ্টি ও সুস্বাদু। এখন গুটি জাতের বিভিন্ন আম বাজারে উঠার অপেক্ষায় রয়েছে।
গাছভরা আম নিয়ে চাষিদের মনে এখন উঁকি দিচ্ছে ভালো ফলনের আশা। মৌসুমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ অঞ্চলে বিশাল কর্মযজ্ঞ থাকে আমকে ঘিরেই। প্রতিবছর আমের বাগান সম্প্রসারিত হওয়ায় বাড়ছে এ নিয়ে কর্মযজ্ঞের পরিধিও।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মধুমাস জ্যৈষ্ঠের ছাপ বাগানে বাগানে। গাছের নীচে নীচে পাহারার মাচান তৈরি করছের বাগান মালিকরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বড় বড় আম ব্যবসায়ীদের আনাগোনাও বেড়েছে এরই মধ্যে।
নহাটা গ্রামের আমচাষী রুস্তম আলী জানান, বাগানে এবার ভালো আম এসেছে। অতিমাত্রায় খরার কবলে পড়ে কিছু আম খসে পড়লেও ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি।
এদিকে, চলতি বছর আমবাগানগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ মুকুল আসলেও আশানুরূপ ফলন নিয়ে চিন্তিত আমচাষী ও বাগানমালিকরা। চাষীদের সঠিক পরিচর্যার অভাবে মুকুলের পরাগায়ন না হওয়ায় উৎপাদনে এ প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ। ফাল্গুনের বারিধারা, চৈত্রের শিলাবৃষ্টি ও বৈশাখের তাপদাহে আমের গুটি ঝরে পড়ায় এবার মাগুরাতে আমের উৎপাদনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।


