আমরা মাগুরাবাসি, এতেই গর্ব অনুভব করি। গর্ব করার জন্য মাগুরা নামটাই যথেষ্ট, প্রয়োজন নেই কোনও গৌরচন্দ্রিকারও। তাই কোনও সূচনা নয়, একেবারে ‘টু দ্য পয়েন্ট’, ‘মাগুরানিউজ’ জানাচ্ছে ( এই বিষয় নিয়ে প্রকাশিত ও স্বীকৃত তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে মাগুরা নিউজের তথ্য গবেষনা সেলের তৈরী এই প্রতিবেদন) এমন কিছু তথ্য যা জেনে আপনি প্রবাসেই থাকুন, মাগুরাতে থাকুন বা দেশের যেখানেই থাকুন আরো বেশি জানুন জানা-অজানা আপনার প্রিয় মাগুরাকে। শেয়ার করে মাগুরার সবাইকে জানতে সহযোগিতা করুন।
২৭তম পর্ব-
‘শালিখা’ শালি ধানের দেশ নাকি শালিক পাখি ?
”আমার বাড়ি যাইও বন্ধু বসতে দিবো পিড়া, জলপান করতে দেব শালি ধানের চিড়া, শালি ধানের চিড়ারে ভাই বিন্নি ধানের খই, বাড়ির গাছের সবরি কলা গামছা বান্ধা দই ”- লোক ছড়ায় এমন ধান বন্দনা এখনও অতীতে নিয়ে যায় আমাদের।
মাগুরা জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ একটি জনপদ শালিখা। সুলতান শেরশাহে্র বিশ্বস্ত লোকজন শেরশাহ সড়ক তৈরি করার সময় ঐ অঞ্চলের শালি ধানের চিঁড়া খেয়ে তৃপ্ত হন এবং শালি ধানের সার্বজনীনতা প্রকাশের লক্ষ্যে এলাকার নাম রাখেন শালিখা।
অনেকে বলেন এ অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে শালিক পাখি দেখা যেত। এই শালিকে ধান খেয়ে যেত সুবাদে নাম হয়েছে শালিখা।
দুটিই সর্বাধিক প্রচলিত মতবাদ।
উল্লেখ্য, পাঠান সুলতান শেরশাহ্ যোগাযোগের ক্ষেত্রে পাঞ্জাব থেকে সোনারগাঁও পর্যন্ত যে সড়কটি নির্মাণ করেন যা পরবর্তীতে ঐতিহাসিক শেরশাহ্ সড়ক নামে খ্যাত। এই সড়কটি শালিখা উপজেলার মধ্য দিয়ে গেছে।


