মাগুরানিউজ.কম:
বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের গলায় মহালয়ার আবাহণী না শুনলে আক্ষরিক অর্থেই দিনটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।দেবী পক্ষের সূচনায় মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের সুরের যেন আলাদা টান। আর সেই সুরেই শুরু হয়ে যায় বাঙালির শারদ উৎসব।
যুগ বদলেছে, আমূল বদলে গেছে প্রযুক্তি, আর এই যুগ বদলের সাথে মর্যাদা হারিয়েছে রেডিও। কিন্তু আজও মহালয়া এলেই মনে পরে যায় রেডিও’র সেই একটানা শারদ সুর আর বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের গলায় সুরেলা চণ্ডী পাঠ। টিভি কম্পিউটারের এই রমরমার যুগেও আজও বহু মানুষ মহালয়া এলেই পুরনো রেডিও ঝেড়ে বের করে রাখেন। ধুলো ঝেড়ে লাগান নতুন ব্যাটারি। ঠিকমতো চালানোর জন্য তৈরী করে রাখেন মহালয়ার ভোরের জন্য। আজ থেকে দুই দশক আগেও গ্রামগঞ্জে রেডিও’র চল ছিল চোখে পড়ার মতো। গ্রাম গঞ্জে এক সময় বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল রেডিও। গ্রামের সম্ভ্রান্ত বাড়িতে থাকা রেডিও শুনতে সে সময় ফি সন্ধ্যায় গ্রাম শুদ্ধ মানুষ ভীর জমাতেন। গ্রামের চণ্ডীমন্ডপে একটি রেডিও থাকত সেখানে মহালয়ার সকালে গ্রামের সব লোক এক সাথে বসে মহিষাসুর মর্দ্দিনী শুনতেন।


