মাগুরানিউজ.কম:
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা সদরের ১ কি.মি. এর মধ্যে পাল রাজার রাজপ্রাসাদের ধ্বংশাবশেষ রয়েছে।পালরাজার সাম্রাজ্য আর কবি গুরুর ’বৌঠাকুরানীর হাট’ উপন্যাসের অনুপ্রেরণা এই বিশেষ স্থাপনাটি মাগুরার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
স্থানটি ভ্রমনে সবাইকে উৎসাহিত করার আহবান জানিয়েছেন ‘মাগুরানিউজ’ সম্পাদক এ্যাড. রাজীব মিত্র জয়। তিনি বলেন, দেশব্যাপি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের শীতকালীন পর্যটনের অন্যতম স্থান হতে পারে মাগুরার ঐতিহাসিক এই স্থাপনা।
অপরকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে স্থানটিকে দেশের অন্যতম পর্যটন স্পট হিসাবে পরিচিত করতে মাগুরাকে সহযোগিতার আবেদনও জানিয়েছেন।
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা সদরের ১ কি.মি. এর মধ্যে পাল রাজার রাজপ্রাসাদের ধ্বংশাবশেষ রয়েছে। এখানে জমিদারী প্রতিষ্ঠা করেন সারদারঞ্জন পাল চৌধুরী। শ্রীপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকা জমিদারীর আওতাধীন এলাকা ছিল। শ্রীপুর জমিদার বাড়ির বিশাল প্রাসাদতুল্য মন কাড়ার মত দৃষ্টি নন্দন বাড়ি এখন বাড়ির প্রবেশদ্বার তথা সিংহদ্বার ভগ্ন অবস্থায় পড়ে আছে। জমিদারীর ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায় নবাব আলীবর্দ্দি খার নিকট হতে এ জমিদারী খরিদ করা হয়। বৈবাহিক সূত্রে বাংলার বারো ভূইয়ার অন্যতম যশোরের মহারাজা প্রতাপাদিত্যের সংগে সারদারঞ্জন পাল চৌধুরীর সম্পর্ক ছিল। মহারাজা প্রতাপাদিত্যের ছেলে উদয়াদিত্যের সংগে জমিদার সারদারঞ্জন পাল চৌধুরীর মেয়ে বিভাপাল চৌধুরীর বিবাহ হয়েছিল। এ সূত্র ধরে মহারাজ প্রতাপাদিত্য শ্রীপুরে এসেছিলেন। আরো জনশ্রুতি আছে এ বিভাপাল চৌধুরীকে কেন্দ্র করে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বৌঠাকুরানীর হাট’ উপন্যাস রচনা করেন। বর্তমানে বাড়ীর প্রবেশদ্বার তথা সিংহদ্বার ভগ্ন অবস্থায় বিরাজমান।
কিভাবে যাওয়া যায়ঃ
ঢাকা থেকে হানিফ, সোহাগ, ঈগল, দ্রুতি ও বিভিন্ন বাসে সব সময় মাগুরায় আসা যায়।
মাগুরা সদর হতে উত্তরে ১৫ কি.মি. উত্তরে শ্রীপুর উপজেলা সদরে জমিদার বাড়ী অবস্থিত। মাগুরা হতে বাস যোগে শ্রীপুর স্ট্যান্ডে নেমে ১ কি.মি. শ্রীপুর-সাচিলাপুর রাস্তায় গেলে বামপার্শ্বে জমিদার বাড়ি।


