মাগুরানিউজ.কমঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ মোবারকগঞ্জ চিনিকল মোচিকের গ্যারেজের মেকানিক রফিউদ্দীন ওরফে রবিউলের (৫০) নিখোঁজের এক মাস ১৭ দিন পর তার লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে।
তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম তাকে হত্যা করে মিলের ই-টাইপ ১নং বিল্ডিং কোয়ার্টারের সামনে একটি গোয়ালঘরে লাশ পুতে রেখে সেখানে প্লাস্টার করে দেয়।
এ ঘটনার পুলিশ রফিউদ্দীনের স্ত্রী ফাতেমা ও মিলের ফায়ারম্যান আনিসকে আটক করেছে।
নিহত রফিউদ্দিন ওরফে রবিউল মাগুরা জেলার বারইপাড়া গ্রামের মৃত তাজ উদ্দিনের ছেলে।
নিহতের মেজ ভাই বাবর আলী জানায়, রফিউদ্দীন নিখোঁজের ঘটনায় মিল কর্তৃপক্ষ থানায় একটি জিডি করে। পুলিশ ডিজির সূত্র ধরে গত কয়েকদিন যাবৎ রফিউদ্দীনের স্ত্রী ফাতেমাকে তার স্বামী নিখোঁজের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
সে সময়ে তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা পাওয়া যায়। এরপর ফাতেমা কালীগঞ্জ থেকে মাগুরায় বাবার বাড়িতে পালিয়ে যায়। পুলিশ সেখান থেকে গতকাল শনিবার রাতে তাকে আটক করে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, ফাতেমা তার স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্য মতে, মিলের কোয়ার্টারের ওই বিল্ডিংয়ের সামনের একটি গোলায়ঘরে মধ্যে রফিউদ্দীনের লাশ পুতে রেখে তার ওপর প্লাস্টার করা হয়েছে। ফাতেমাকে সঙ্গে নিয়ে সেখান থেকে লাশ উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছে।


