মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতি নদীর উপর এলাংখালী ঘাটে দীর্ঘ ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দ, সংশ্লিষ্ট ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির দর ও মন্ত্রী পরিষদ সভার সুপারিশক্রমে প্রধান মন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদন, ঠিকাদার নিয়োগ এবং কার্যাদেশের পর সর্বশেষ প্রক্রিয়াও ‘চুক্তি সম্পাদন’ সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীর এলজিইডি ভবনে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এলজিইডির পক্ষে মাগুরার নির্বাহী প্রকৌশলী মীর্জা ইফতেখার আলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স-র্যানকেন গ্রুপের পক্ষে পরিচালক জাহিদুর রহমান চুক্তি সম্পাদন করেন।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর যুুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট বীরেন শিকদার দুই পক্ষের হাতে স্বাক্ষরিত ফাইল তুলে দেন। এ সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়কে সেতু নির্মাণ প্রল্পের পরিচালক আবদুস সালাম মন্ডল, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স-র্যানকেন গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম আলমগীরসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি সম্পাদন সম্পন্ন হওয়ায় ৫৯ কোটি ৯০ লাখ ৩৪ হাজার ৭০৫ টাকা ২৫ পয়সা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ অচিরেই শুরু হচ্ছে। ৬০০ দশমিক ৭৯ মিটার পিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণের জন্য রাজধানীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স-র্যানকেনকে (জেভি) শর্তসাপেক্ষে নির্মাণ কাজ সম্পাদনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
মাগুরা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মীর্জা ইফতেখার আলী জানান, সব প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। শিঘ্রই নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে বলেও তিনি জানান।
মাগুরা-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট বীরেন শিকদার বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের পর ঠিকাদারকে উপকরণ সরবরাহসহ ব্রীজ নির্মাণের জন্য মধুমতি পাড়ে সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।
উপজেলার মধুমতিতে ব্রীজ নির্মাণ সম্পন্ন হলে নদীর দুই পাড়ের ১০ লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ ব্যস্থায় সেতুবন্ধন তৈরির পাশাপাশি অর্থ ও সময় দুটোই সাশ্রয় হবে। একই সাথে মাগুরার মহম্মদপুর ও ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারসহ এলাকার উন্নয়নে মধুমতি ব্রীজটি অগ্রণি ভূমিকাও রাখবে বলে স্থানীয়রা জানান।
প্রসঙ্গত: মধুমতিতে ব্রীজ হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর মানুষের ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ ঢাকায় যাতায়াতে সময় এবং অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে।
এদিকে, উপজেলাবাসীর দীর্ঘ দিনের প্রধান দাবি বাস্তবায়নের পেছনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট বীরেন শিকদারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টাকে স্থানীয়রা সাধুবাদ জানিয়েছেন। একই সাথে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


