মাগুরানিউজ.কমঃ
আজ শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম শ্রীপুরের সন্তান সাকিন
- শ্রীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র্যালি ও লিফলেট বিতরণ
- শ্রীপুরে দু-দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩, দোকানঘর ও বাড়িঘর ভাঙচুর
- শ্রীপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে কোরবানির জন্য কেনা গরু চুরি
- শ্রীপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- শ্রীপুরে ধর্ষণ মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ১
- শ্রীপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন
- সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, জনদুর্ভোগ
ক্রিকেটে আম্পয়ারিংয়ের ভুলকে খেলার অংশ বলেই ধরা হয়। আজকের ভুলটা না হলে যে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের ফল পাল্টে যেত তাও নয়। তবু বিষয়টি নিয়ে যে এত আলোচনা তার কারণ একাধিক। একে তো বিশ্বকাপ শুরুর প্রথম দিন, তাও আবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ম্যাচ।
ইংল্যান্ডের মিডিয়া যে বিষয়টি নিয়ে সরব হবে শনিবার খেলা শেষ হওয়ার পরপরই অবশ্য তা আচ করা গিয়েছিল খানিকটা। তবে আম্পায়ারের এমন ভুলে কপাল পুড়ল যার সেই টেইলরকে তা কষ্ট দিবে অনেকদিন। কারণ বিশ্বকাপে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি থেকে তখন মাত্র ২ রান দূরে ইংলিশ ব্যাটসম্যান টেইলর।
শনিবার শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে অ্যান্ডারসন যখন রান আউট হন ইংল্যান্ডের সংগ্রহ তখন ৪১ ওভার ৪ বলে ২৩১। অ্যান্ডারসন আউট না হলেও ৮ ওভার ৩ বলে ইংল্যান্ডকে করতে হতো ১১২ রান। খুব বড় আশাবাদী ছাড়া ইংল্যান্ডের পক্ষে বাজি ধরার লোক যে হাতে গোনা তা বলে দেওয়া যায়। তবে টেইলরের সেঞ্চুরি তখন ‘শুধু সময়ের ব্যাপার’। শেষ পর্যন্ত টেইলর সেঞ্চুরি পেতেন কি না তার হয়তো গ্যারান্টি নেই; কিন্তু সতীর্থদের আসা-যাওয়ার দিনে তিনি যেমনটা খেলছিলেন তাতে বাজিতে টেইলরের দলই ভারি হওয়ার কথা।
সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে যে ভূতুরে সিদ্ধান্তে মাঠ ছাড়েন টেইলর তাতে বিশ্বকাপ স্মৃতি তাকে অনেকদিন কাঁদাতে পারে।
শনিবার মেলবোর্নে ইংল্যান্ড ইনিংসের ৪২ তম ওভারে বল করতে আসেন হ্যাজলউড। ওভারের চতুর্থ বলে তার এলডিডব্লিউর আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার আলিম দার, টেইলরের বিভিউ আবেদনে পরে যেটি খারিজ হয়। কিন্তু ওই বলেই সিঙ্গেল নেওয়ার জন্য দৌড় দেওয়া অ্যান্ডারসন ননস্ট্রাইকিং প্রান্তে ফিরে আসার আগেই উইকেট ভেঙ্গে দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
অস্ট্রেলিয়ানদের রান আউটের জোরালো আবেদনের পর কয়েকবার রিপ্লে দেখে অবশেষে আউট দেন টিভি আম্পায়ার।
সে সময়ই অবশ্য বলটা ‘ডেড’ ছিল কি না তা নিয়ে সন্দেহ জাগে। আইসিসিই পরে জানায় বলটা তখন ‘ডেড’ ছিল।
এক বিবৃতিতে আইসসি জানিয়েছে, ম্যাচ শেষে প্লেয়িং কন্ট্রোল টিম (পিসিটি) ওই বলটি রিভিউ করে। আইসিসিরি ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) অনুসারে টেইলরকে লেগ বিফোর দেওয়ার পরপরই হ্যাজলউডের ওই বল ‘ডেড’ হয়ে যাওয়ার কথা। এ বলে পরে আর রান আউট বা অন্য কোনো ধরনের আউটের প্রশ্নই উঠে না। তাই অ্যান্ডারসনেরও আউট হওয়ার কথা নয়।
আর কে না জানে ওই সময় অ্যান্ডারসন ক্রিজে থাকা মানেই টেইলরের সেঞ্চুরি।
পিসিটি অবশ্য এজন্য ইংল্যান্ড দলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছে এবং আম্পায়ারের ভুলের কথা স্বীকার করেছে। কিন্তু তাতে কি আর টেইলরের সেঞ্চুরির আক্ষেপ ঘুচে?


