মাগুরানিউজ.কমঃ
নাগরিক কমিটির সভাপতি ও লেখক সৈয়দ শামসুল হক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘দেশরত্ন’ উপাধীতে ভূষিত করেছেন।
শুক্রবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় নাগরিক কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে এ উপাধিতে ভূষিত করেন।
এসময় তিনি শেখ হাসিনার নামের শুরুতে আবশ্যিকভাবে ‘দেশরত্ন’ বসানোর প্রস্তাব করেন।
তিনি বলেন, ‘আজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামের প্রারম্ভে আবশ্যিকভাবে ‘দেশরত্ন’ শব্দটি ব্যবহার হবে। আমি সবার পক্ষ থেকে তাকে ‘দেশরত্ন’ উপাধিতে ভূষিত করেছি।’
সৈয়দ শামসুল হকের এ প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মুহূর্মুহু করতালির মাধ্যমে তার প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত সাত বছরে দুই দফা দায়িত্ব পালনকালে ভারতের সঙ্গে স্থল সীমা চুক্তি ও মায়ানমারের সঙ্গে সমুদ্র সীমা বিজয়সহ জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের জন্য আজ নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়।
জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান বলেন, ‘এ সরকার আসার পর থেকেই ক্রিকেটে একেরপর এক বিজয় অর্জিত হয়েছে। আমরা বিশ্বের শক্তিশালী দলগুলোকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়েছি। এসময় তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাফল্যের নানা চিত্র তুলে ধরেন।’
সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু বলেন, ‘তিনি যখন নির্বাসনে ছিলেন তখনো একটা সংস্কৃতি ছিল। তা হলো ভয়ের সংস্কৃতি, শঙ্কার সংস্কৃতি। কিন্তু তিনি তা অতিক্রম করে দেশে ফিরেছেন। সাহসের সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছেন। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে তিনি বিচারের সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছেন।’
এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে যে রেমিটেন্স আছে তা দিয়ে সাত মাসের খাদ্য আমদানি করা যাবে। দেশের এ রেমিটেন্স ৫০ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন প্রতিদিন ৩৬৫ কোটি টাকা মোবাইলে মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার সফল কৃষি ও অর্থনীতির নাম বাংলাদেশের অর্থনীতি।’
নাগরিক কমিটির সভাপতি ও লেখক সৈয়দ শামসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন ইতিহাসবিদ মুনতাসির মামুন, অর্থনীতিবিদ কাজী খলিকুজ্জামান, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী প্রমুখ।


