মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরায় বিষমুক্ত সবজী এখন ঢাকার জাপান গার্ডেন সিটিতে পাওয়া যাচ্ছে।কৃষকরা প্রশিক্ষণ নিয়ে এ সবজি উৎপাদন করছেন। বেসরকারি সংস্থা ইসডেপ কনসার্ন ফাউন্ডেশন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তারা জেলা থেকে প্রতি বছর প্রায় ১২০ টন বিষ মুক্ত সবজি ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু বাজারে বিক্রির জন্য পাঠাচ্ছে।
তাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃষকরা ক্ষেতে ফেরোমন ট্রাপের মাধ্যমে বিষ মুক্তভাবে বেগুন, লাউ, উচ্চে, পেপে, কপি, সিমসহ বিভিন্ন সবজি নিয়মিতভাবে ঢাকায় পাঠাচ্ছে।
বেসরকারি সংস্থা ইসডেফ এর পক্ষ থেকে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত সবজি সরাসরি ক্রয় করে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।
কৃষকরা জানান, সরাসরি মাঠ থেকে সবজি ক্রয় করায় তাদের পরিবহণ খরচ যেমন লাগছেনা। তেমনি ফরিয়াড়াও তাদের কষ্টার্জিত লাভের ভাগ নিতে পারছেনা। তারা ন্যায্য মুল্যে সবজী বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন।
বেসরকারি সংস্থা ইসডেপ কনসার্ন ফাউন্ডেশনের একজন কর্মকর্তা জানান, সরাসরি মাঠ থেকে কৃষকদের কাছ থেকে সবজি ক্রয় করায় কৃষকদের পরিবহণ খরচ যেমন লাগছে না তেমনি ফরিয়াদের দাপট থেকে ও তারা রেহায় পাচ্ছে।
অন্যদিকে ক্রেতারা বিষ মুক্ত সবজি নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করতে পারছে। মাগুরায় ২০০৬ সাল থেকে কৃষকদের নিয়ে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনের কাজ শুরু করছে এ সংস্থাটি।
বর্তমানে জি মার্ক ও ক্যাটালিষ্টের সহযোগিতায় তারা বাজার ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে এসেছেন।তাদের কাজের উদ্দেশ্য হচ্ছে কৃষকদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং ক্রেতাদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা করা।
তাদের বিষমুক্ত সবজি ঢাকার জাপান গার্ডেন সিটি ও ক্রিসেন্ট লেক এলাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া মাগুরা শহরের সরকারি কলেজের সামনে একটি বিষ মুক্ত সবজী বিক্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখান থেকে ক্রেতারা বিভিন্ন ধরনের সবজী ন্যায্য মূল্যে পাচ্ছেন।
মাগুরায় বিষমুক্ত সবজি উৎপন্ন হওয়ায় পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ক্রেতাদের স্বাস্থের দিকটা রক্ষিত হওয়ায় ক্রেতারাও খুশি।অন্যদিকে কৃষকরাও আর্থিক দিকদিয়ে লাভবান হওয়ায় বিষমুক্ত সবজি চাষে এগিয়ে এসেছেন।

