মাগুরানিউজ.কমঃ
দেড় মাস ধরে নিখোঁজ রফি উদ্দীন। মোবারকগঞ্জ সুগার মিলের ম্যাকানিক ছিলেন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রফিকে না পেয়ে মিল কর্তৃপক্ষ থানায় জিডিও করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রফির স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে পুলিশের কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসল। জানা গেল, ফাতেমা তার স্বামীকে হত্যা করে গোয়াল ঘরে পুঁতে রেখে তার ওপর প্লাস্টার করে দিয়েছে।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এ ঘটনা ঘটেছে। স্বামীকে হত্যার পর লাশ গুমের অভিযোগে ফাতেমাসহ দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে মাগুরা থেকে ফাতেমাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, দেড় মাস আগে রফি নিখোঁজ হওয়ার পর মিল কর্তৃপক্ষ থানায় একটি জিডি করে। ডিজির সূত্র ধরে তারা গত কয়েকদিন ধরে ফাতেমাকে তার স্বামী নিখোঁজের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেসময় তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা পাওয়া যায়। এরপর ফাতেমা কালীগঞ্জ থেকে মাগুরায় পালিয়ে গেলে সন্দেহ আরও ঘণীভূত হয়। পরে পুলিশ মাগুরা থেকে ফাতেমাকে আটক করে। এছাড়াও জিজ্ঞাসাবাসের জন্য মিলের ফায়ারম্যান আনিসকে আটক করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, ফাতেমা তার স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মিলের কোয়ার্টারের সামনের গোয়াল ঘর থেকে লাশ উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছে।

