খুলনায় চিকিৎসকদের ধর্মঘট অব্যাহত,দুর্ভোগ চরমে

Khulna_doctor_bg_543637198ন্যাশনালডেস্কঃ 

খুলনায় টানা তৃতীয় দিনের মতো ধর্মঘট অব্যাহত রেখেছে চিকিৎসকরা। সোমবারও এ ধর্মঘট প্রত্যাহার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে রোগীরা।
গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামলা, ভাঙচুর ও ইন্টার্ণ চিকিৎসক তানভির ইসলাম বাপ্পাকে অপহরণের সঙ্গে জড়িত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবিতে এ ধর্মঘট পালন করছেন  তারা।

ধর্মঘটে নগরীর সকল সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ সকল চিকিৎসা কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে।

বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ), খুলনা প্রাইভেট ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্রাকটিশনার এসোসিয়েশন যৌথভাবে এ কর্মসূচি পালন করছে। ধর্মঘটের কারণে সাধারণ চিকিৎসা প্রার্থীরা সীমাহীন বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।

 টানা ধর্মঘটের ফলে রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক মুমূর্ষু রোগী মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। অনেকে গুরুত্বপূর্ণ প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করাতে পারছেন না। সাধারণ মানুষ চিকিৎসকদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ধর্মঘট প্রত্যাহারে সংশ্লিষ্ট সকলকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করারও দাবি জানিয়েছেন রোগীর স্বজন ও সাধারণ মানুষ।

আন্দোলনরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে শনিবার থেকে শুরু হওয়া ৪৮ঘন্টা ধর্মঘট রোববার শেষ রাত পর্যন্ত ছিলো। এর মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় সোমবার ভোর থেকে আবার খুলনার সকল সরকারি ও বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল এবং প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরিতে লাগাতার এ ধর্মঘট শুরু হয়েছে। 
 
তারা জানান, সোমবার থেকে শুরু হওয়া ধর্মঘট চলাকালে কেবলমাত্র সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা দায়িত্ব পালন করছেন।

অপরদিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, ক্যাম্পাসের চারুকলা ইনস্টিটিউটের ছাত্র অমিত রায় গত ২ জুলাই সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে তাকে মহানগরীর গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সেখানে অমিতের চিকিৎসার অবহেলা হয়েছে এমন অভিযোগ করেন তারা। তারা দাবি করেন বিকেল সাড়ে ৫টায় ভর্তি করা হলেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তিন ঘন্টা বিলম্বে অমিতকে দেখেন। 

এছাড়া রোগীর লোকদেরকে অবস্থা সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয়া হয়নি। তাছাড়া কর্তব্যরত নার্স ও কর্মচারীরা রোগীর নিকটজনদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এর প্রতিবাদ করলে তাদের ওপরই চিকিৎসকরা চড়াও হয় বলেও দাবি করেন তারা।

হাসপাতালে ভাংচুর, হামলা কিংবা ডাক্তার অপহরণের ঘটনাও অস্বীকার করেন তারা। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

May ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

May ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
%d bloggers like this: