মাগুরানিউজ.কমঃ
বাংলাদেশ ফেবারিট হিসেবেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছে। ১৬ বছরের জয়খরা কাটানোর পাশাপাশি পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশও করেছেন টাইগাররা। এবার পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে হারানোর হাতছানি মাশরাফি বাহিনীর সামনে। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। মাগুরাতে এখন শুধুই ক্রিকেট।
ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিলেও টি-টোয়েন্টি খুব একটা সহজ হবে না বাংলাদেশের জন্য। কারণ এই ম্যাচে পাকিস্তান দলে থাকছেন শহীদ আফ্রিদি, আহমেদ শেহজাদের মতো খেলোয়াড়। বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাট হাতে অনেকবারই জ্বলে উঠেছেন এরা দুজন। এ ছাড়া আছেন পেসার সোহেল তানভির। ওয়ানডেতে ব্যর্থ সাঈদ আজমল ও উমর গুলও আজ জ্বলে উঠতে চাইবেন।
এদিকে গত এক বছরে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যায়। ২০১৩ সালের পর থেকে দেশে কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টও হয়নি। তবে ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ করে এই মুহূর্তে দারুণ উজ্জীবিত টাইগাররা। ওয়ানডে সিরিজের আত্মবিশ্বাসই টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।
ওয়ানডে সিরিজে তামিমের জোড়া সেঞ্চুরি, শেষ ম্যাচে সৌম্যর সেঞ্চুরি আর ‘রানমেশিন’ মুশফিকের ধারাবাহিকতা টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে রসদ জোগাবে। আজকের ম্যাচে একটি উইকেট পেলেই টি-টোয়েন্টিতে এককভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হবে সাকিব আল হাসান। ৪৪টি করে উইকেট নিয়ে আব্দুর রাজ্জাক ও সাকিব যৌথভাবে শীর্ষে আছেন। আজ টি-টোয়েন্টিতে খেলতে পারেন রনি তালুকদার অথবা লিটন কুমার। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়তে পারেন তিন ওয়ানডে মিলে ২৬ রান করা মাহমুদউল্লাহ। এ ছাড়া বিশ্রামে রাখা রুবেল হোসেনের জায়গায় দেখা যেতে পারে বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে।
এ পর্যন্ত ৮৩ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৫০টিতে জিতেছে পাকিস্তান। অপরদিকে ৪১ ম্যাচে ১১টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সাত ম্যাচ খেলে সবকটিতেই হেরেছেন টাইগাররা। দুই দল সবশেষ মুখোমুখি হয়েছিল গত বছরের মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেবার আহমেদ শেহজাদের সেঞ্চুরিতে ম্যাচ জিতেছিল পাকিস্তান। এবার প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে হারানোর সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। পারবেন তো সাকিব-তামিম-মুশফিক-মাশরাফিরা? দেখা যাক কী হয়!


